Significance of Radhastami in Hindu Culture

Radhastami: পুণ্যের রাধা অষ্টমী – সকল বাঁধা থেকে মুক্তি

জ্যোতিষ শাস্ত্র রাশিফল

যে মূঢ় মানুষ রাধাষ্টমী (Radhastami) ব্রত করে না, সে শতকোটি কল্পেও নরক থেকে নিস্তার পেতে পারেনা। হিন্দু ধর্মের এক আরাধ্য দেবী রাধা …

“রাধাষ্টমী ব্রতং তাত যো ন কুর্য্যাচ্চ মূঢ়ধী। নরকান্ নিষ্কৃতি নাস্তি কোটিকল্পশতৈরপি।।”
“যে মূঢ় মানুষ রাধাষ্টমী (Radhastami
)ব্রত করে না, সে শতকোটি কল্পেও নরক থেকে নিস্তার পেতে পারেনা।” “স্ত্রীয়শ্চ যা না কৃবন্তি ব্রতমেতদ্ সুভপ্রদম। রাধাকৃষ্ণপ্রীতিকরং সর্বপাপপ্রনাশম্।। অন্তে যমপুরীং গত্বা পতন্তি নরকে চিরম্। কদাচিদ্ জন্মচাসাদা পৃথিব্যাং বিধবা ধ্রুবম্।।”

হিন্দু ধর্মের এক আরাধ্য দেবী রাধা। ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথি শ্রী রাধাঅষ্টমী হিসাবে পালিত হয়। হিন্দু শাস্ত্র মতে, যিনি এই ব্রত শুদ্ধমনে পালন করেন তার কোনওদিন অর্থের অভাব হয় না। শ্রী কৃষ্ণ ও রাধা আশীর্বাদ সর্বদা তার উপর বিরাজ করে। এবছর এই ধর্মীয় উৎসব ২৫শে ও ২৬শে আগস্ট পালিত হবে। সপ্তমী তিথিটি ২৫শে অগাস্ট দুপুর ১ টা বেজে ৫৮ মিনিটে শেষ হবে, এর পরে অষ্টমী তিথি শুরু হবে, ২৬শে আগস্ট সকাল ১০ টা বেজে ২৮ মিনিট পর্যন্ত থাকবে।

Significance of Radhastami in Hindu Culture
Significance of Radhastami in Hindu Culture

শ্রী রাধিকা, ভগবান কৃষ্ণের জন্মদিনের পনের দিন পরে শুক্লপক্ষের অষ্টমীতে রাজা বৃষানুর যজ্ঞ ভূমি থেকে আবির্ভূত হয়েছিলেন। রাজা শ্রীবৃষভানু ও তাঁর স্ত্রী শ্রীকীর্তি তাঁদের কন্যা হিসাবে রাধা-কে অপত্য স্নেহে বড় করেছিলেন। রাধা এই তিনটি কল্প, ব্রহ্মকল্প, ভারহাকল্প ও পদ্মকাল্পে কৃষ্ণের সর্বোচ্চ শক্তি হিসাবে বর্ণিত হয়েছে। বেদ ও পুরাণ প্রভৃতি তাদের ‘কৃষ্ণবল্লভা‘, ‘কৃষ্ণাত্মা‘ কৃষ্ণপ্রিয়া ‘বলে অভিহিত করা হয়েছে। কৃষ্ণ রূপে অবতার নেওয়ার আগে ভগবান শ্রীবিষ্ণু তাঁর ভক্তদেরও পৃথিবীতে আসার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তখন বিষ্ণু প্রিয়া লক্ষ্মী, রাধা রূপে পৃথিবীতে আসেন।

গণেশ চতুর্থী – বুদ্ধি, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য লাভের পুজো – আরও জানতে ক্লিক করুন

এই রাধাষ্টমী ব্রত পালন করলে অনেক কিছু সুফল মেলে। যে ব্যক্তি একবারের জন্যে এই ব্রত পালন করেন তবে তার কোটি জন্মার্জিত ব্রহ্মহত্যাদি মহাপাপ সবিন্যাস হয়। শত সহস্র একাদশী ব্রত পালনে পালনে যে ফল লাভ হয়, রাধাষ্টমী পালনে তার শতাধিক ফল লাভ হয়। তাই এই ব্রত পালন করলে তার বৈকুণ্ঠলোকে গতি হয়। সূর্যোদয়ের আগে ঘুম থেকে উঠে স্নান সেরে বিশুদ্ধ পরিষ্কার পোশাক পড়তে হবে। এবার ঠাকুরের স্থানে লাল বা হলুদ কাপড় পেতে শ্রী কৃষ্ণ ও রাধার মূর্তিটি স্থাপনকরতে হবে।

১৫১ বছর পর কাল সর্পদোষ কাটছে কার কার ? – আরও জানতে ক্লিক করুন

এর সাথে পুজোর ঘটও স্থাপন করতে হবে । পঞ্চামৃত দিয়ে রাধা ও কৃষ্ণের স্নান করতে হবে ভক্তি ভরে। দুজনকেই নতুন বস্ত্র সুন্দর ভাবে পরিয়ে দিতে হবে। এরপর নিয়ম মেনে পুজো করুন। রকমারি ফুল-ফল নৈবেদ্য সাজিয়ে ভোগও দিতে পারেন।রাধা কৃষ্ণের মন্ত্রগুলি জপ ও রাধা কৃষ্ণের আরতি করুন। এই রাধা অষ্টমীর উপবাস করলে মানবজীবনের পাপ বিনষ্ট হয়। সকল বিপদ থেকে রেহাই মিলবে সহজে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *