বাংলাদেশে প্রভিশন ঘাটতি ১২ ব্যাংকে ৯৪৬৯ কোটি টাকা

বাংলাদেশে প্রভিশন ঘাটতি ১২ ব্যাংকে ৯৪৬৯ কোটি টাকা

বাংলাদেশ

খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। এটি সকল আমানতকারীদের আমানতের সুরক্ষা হিসেবে বিবেচিত হয়।

নিজস্ব সংবাদদাতা: বাংলাদেশে ভাইরাস পরিস্থিতি অনেক কিছুকে বদলে দিয়েছে। আর্থিক ক্ষেত্রে চাপ তৈরী হয়েছে। বাংলাদেশে আমানতকারীদের জমা রাখা টাকা থেকে গ্রাহকদের ঋণ দেয় ব্যাংক। বিতরণ করা সেই ঋণ কোনও কারণে খেলাপি হয়। তখন সেই খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণ করতে হয়। এটি সকল আমানতকারীদের আমানতের সুরক্ষা হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু এই ঋণ জালিয়াতির কারণে অধিকাংশ ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা যথেষ্ট খারাপ।

বাংলাদেশে প্রভিশন ঘাটতি ১২ ব্যাংকে ৯৪৬৯ কোটি টাকা
বাংলাদেশে প্রভিশন ঘাটতি ১২ ব্যাংকে ৯৪৬৯ কোটি টাকা

বাংলাদেশে খেলাপিসহ ঋণমানের বিপরীতে প্রয়োজনীয় প্রভিশন সংরক্ষণ করতে পারেনি ১২টি ব্যাংক। এর মধ্যে আছে রাষ্ট্রায়ত্ত চারটি ও বেসরকারি আটটি ব্যাংক। জানা যাচ্ছে, এই সব ব্যাংকের প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ৯৪৬৯ কোটি টাকা। এই সময়ে অন্য কয়েকটি ব্যাংকের প্রভিশন উদ্বৃত্ত থাকায় সার্বিক ঘাটতি দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ৬৪৩ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। খেলাপি ঋণ বাড়ার কারণেই ব্যাঙ্কিং খাতে বাড়ছে প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ।

[ আরও পড়ুন ] বাংলাদেশে বুলেট ট্রেন! – ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম ৫৫ মিনিটে

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক তথ্য বলছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকগুলোতে ঋণের ঝুঁকি বিবেচনায় প্রভিশন সংরক্ষণের প্রয়োজন ছিল ৬১ ,৩১৭ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ব্যাংকগুলো প্রভিশন রেখেছে ৫৪,৬৬২ কোটি টাকা। এতে ঘাটতি প্রকাশ পেয়েছে ৬,৬৫৫ কোটি টাকা। ব্যাংক ব্যবস্থার খেলাপি ঋণের বিপরীতে নির্ধারিত পরিমাণ নিরাপত্তা সঞ্চিতির অর্থ সংরক্ষণের বিধান আছে। এই প্রভিশন ঘাটতির তালিকায় রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক, সোনালী, অগ্রণী, রূপালী, এবি, ব্যাংক এশিয়া, ঢাকা, মিউচুয়াল ট্রাস্ট, সোশ্যাল ইসলামী, ট্রাস্ট ও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *