Rohingya Terror rises as more than 3 thousands terrorists staying in refugee camps of Bangladesh

Rohingya Terror: বাংলাদেশের শিবিরে আছে ৩ হাজার জঙ্গি

বাংলাদেশ

গোপনে তারা ক্যাম্পের ভিতরে গুম, খুন, ধর্ষণ, মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে চলেছে। অবাক হলেও এটি (Rohingya Terror) সত্য।

অবাক হলেও এটি সত্য। বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গা (Rohingya Terror) ক্যাম্পে প্রায় সাড়ে তিন হাজার এআরএসএ জঙ্গি আশ্রয় নিয়ে আছে। গোপনে তারা ক্যাম্পের ভিতরে গুম, খুন, ধর্ষণ, মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে চলেছে। মঙ্গলবার জার্মানভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ডয়েচে ভেলের একটি প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক এ তথ্য উঠে এসেছে। এআরএসএ গ্রুপের ডয়েচে ভেলে জানায়, বাংলাদেশে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে এ মূহুর্তে অন্তত সাড়ে তিন হাজার রোহিঙ্গা জঙ্গি অবস্থান করছে। তাদের মধ্যে অনেকে সীমান্তরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে মায়ানমারে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই জঙ্গি জানান, ‘আমাদের কেউ সহায়তা দিচ্ছে না। যদি আমরা অস্ত্র-সহায়তা পেতাম, তাহলে মায়ানমারে গিয়ে যুদ্ধ করতে পারতাম।’ বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত বিভিন্ন রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে প্রায় তিন হাজার হারাকাহ আল-ইয়াকিন গ্রুপের জঙ্গিরা আশ্রয় নিয়েছে। গোপনে তারা ক্যাম্পের ভিতর গুমখুন, ধর্ষণ, মাদক পাচার-সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এক জঙ্গিকে উদ্ধৃত করে ডয়েচ ভেল দাবি করেছে, সন্ত্রাসবাদীদের অনেকেই সীমান্তরক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে মায়ানমারে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে।এআরএসএ-এর অন্তত ৩০টি গ্রুপ ক্যাম্পগুলিতে সক্রিয় আছে। ক্যাম্পের মধ্যে তারা অন্যান্য রোহিঙ্গাকে নিজেদের দলে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে।

ক্যাম্পগুলোতে প্রকাশ্যে তাদের নাম নেওয়ার ব্যাপারেও আছে নিষেধাজ্ঞা। কাউকে সন্দেহ হলেই তাকে হয় গুম করে ফেলা হচ্ছে, নয় খুন। পরিত্রাণ পান না তার পরিবারের কোনো নারী বা শিশুও। এক রোহিঙ্গা নারী ডয়েচে ভেলেকে জানান, গত মাসেই এক সন্ধ্যায় হারাকাহ আল-ইয়াকিন গ্রুপের কয়েকজন সদস্য তার স্বামীকে হত্যা করেছে। তিনি সাহায্যের জন্য চিৎকার করলেও কেউ তাদের সাহায্যে এগিয়ে আসেনি। এই হারাকাহ আল-ইয়াকিনই ২০১৬ সালে তাদের নাম পরিবর্তন করে আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি নাম ধারণ করে। হারাকাহ আল-ইয়াকিনই ২০১৬ সালে নাম পরিবর্তন করে আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি নাম নিয়েছে। সংগঠনের সদস্যরা সৌদি আরব ও পাকিস্তানের ইসলামিস্ট জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির কাছ থেকে মদত পায় বলেও জানা গিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *