yaba bh

বাংলাদেশের আতঙ্কের নাম ইয়াবা – Yaba Tablet Drug Addicted in Bangladesh

আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ

জঙ্গিদের মতোই হরেক রকমের মাদক মাফিয়াদের ব্যবসার সীমানা আন্তর্জাতিক পরিসরে ছড়িয়ে আছে।

জঙ্গিদের মতোই হরেক রকমের মাদক মাফিয়াদের ব্যবসার সীমানা আন্তর্জাতিক পরিসরে ছড়িয়ে আছে। আর তাই মাদক কারবারিরা খুব সহজেই জঙ্গিদের মতো ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে হুন্ডির মাধ্যমে মাদকের টাকা পৃথিবীময় লেনদেন করে থাকে। ফলে এদের নিরাপদ ও সমৃদ্ধ দুর্গে হানা দেওয়া অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে।

সম্প্রতি কক্সবাজারে কমবেশি ১০টি মাদকের সিন্ডিকেটের তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা। এখন থেকেই মায়ানমার হয়ে পাচার ইয়াবার চালান লোক মারফত গ্রহণ করে সিঙ্গাপুর ও ব্যাংককে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়| ফলে অজানা মাদকের নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ছে বাংলাদেশের আগামীর বাহকেরা|

জানা যাচ্ছে, কারখানাগুলোর অধিকাংশের মালিক মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সদস্য। এসব খোলামেলা কারখানা থেকে কোনো টাকা ছাড়াই মাদকের বস্তা বাংলাদেশি মাদক মাফিয়াদের কাছে পাঠানো হয়। আবার সঠিক গন্তব্যে পৌঁছার আগে সেই চালান দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হাতে ধরা পড়লে সেটার কোনো দাম দিতে হয় না। আর সফলভাবে পৌঁছালে সেই চালানের টাকা হুন্ডির মাধ্যমে সিঙ্গাপুর ও ব্যাংককে অবস্থিত সঠিক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। তাই দ্রুত মাদক মাফিয়াদের চিহ্নিত করে তাদের গোপন গুদামঘরে হানা দিতে পারলে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার চালান বাংলাদেশে আসা অনেকটা কমে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে|

যদিও সবাই মনে কইছেন, আন্তর্জাতিক চক্রের মাদক সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা কঠিন কাজ। বরং এটাকে অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। আসলে এই কম দামের ইয়াবার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বাংলাদেশে। প্রতিদিন দেশের দেশের হাজার হাজার তরুণ-যুবক ঢুকছে এই মরণনেশায়। সুতরাং মাদকিরোধী অভিযান ও আত্মসমর্পণের পাশাপাশি এর কুফল সম্পর্কে আরো ব্যাপকভাবে প্রচারে নজর দিতে হবে।

Facts of Yaba drug 2019
Facts of Yaba drug 2019

সমাজের প্রতিটি স্তরে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া সমাজ থেকে ইয়াবার আতঙ্ক সরিয়ে ফেলা যাবে না।এ ব্যাপারে মেজর রইসুল ইসলাম বলেন, ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি এখন টার্গেট করা হচ্ছে গডফাদার ও মাদক মাফিয়াদের দিকে। যারা সবসময় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে, খুব সহজেই মাদকের নেটওয়ার্ক পরিচালনা করে।

আজ কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে লবণ মাঠ থেকে ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। সোমবার ভোররাতে উপজেলার সদর নাজির পাড়ার লবনের মাঠ থেকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, ব্যাটলিয়ানের অধীনস্থ নাজির পাড়া বিওপি কর্মরত নায়েব সুবেদার মোঃ শাহ আলমের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহলদল এ অভিযান চালায়।

গোপন খবর ছিল, নাজির পাড়ার লবন মাঠ দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবা একটি চালান আসবে দেশে।কিন্তু পাচারকারী টহলদলের উপস্থিতি লক্ষ্য করা মাত্রই দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে মাদক পাচারকারী দল। সেখান থেকে একটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগটি খুলে প্রায় ৬০লাখ টাকার দামের ২০ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। আটক করা ইয়াবাগুলো ব্যাটালিয়ন সদরে জমা রাখা হয়েছে। পরে উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর প্রতিনিধি, স্থানীয় ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে নষ্ট করা হবে বলে জানা গেছে| আশা করা যাচ্ছে, এমন আরো নজরদারিতে, কমবে ইয়াবার হামলা|

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *