97th Birthday of Bollywood Actor Dilip Kumar

Actor Dilip Kumar: দিলীপ কুমারের জন্মদিন

কলকাতা

দিলীপ কুমার একজন বিখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা (Actor Dilip Kumar)। তার আসল নাম ছিল মুহাম্মদ ইউসুফ খান। তিনি পাকিস্তানের খাইবারে …

দিলীপ কুমার একজন বিখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা (Actor Dilip Kumar)। তার আসল নাম ছিল মুহাম্মদ ইউসুফ খান। তিনি পাকিস্তানের খাইবারে ১৯২২ সালের আজ ১১ই ডিসেম্বর, একটি মুসলিম সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। সেই বাড়ি যদিও ভেঙে গেছে। ২০১৪ সালে বাড়িটিকে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ন্যাশনাল হেরিটেজ হিসেবে নথিভুক্ত করেছিল। কিন্তু বাড়িটির দেখভাল করেনি খাইবার পাখতুনখাওয়া সরকার। তার পিতা লালা গোলাম সারওয়ার একজন ফলের ব্যবসায়ী ছিলেন যিনি (মহারাষ্ট্র, ভারত) পেশোয়ার ও দেওলালীর মধ্যে ফলের বাগানের মালিক। দিলীপ কুমার নাসিকের কাছাকাছি মর্যাদাপূর্ণ দেওলিয়ার বার্নস স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা জীবন শুরু করেন। ১৯৩০ সালে শেষ সময়ে, ১২ সদস্যর পরিবার নিয়ে মুম্বাইয়ে পাড়ি জমান।

দিলীপ কুমার তখন বোম্বের বিখ্যাত খালসা কলেজে ভর্তি হন। এ কলেজে পড়ার সময় তার পরিচয় হয় হিন্দি সিনেমার আরেক কিংবদন্তী রাজকাপুরের সাথে। দিলীপ কুমার ছিলেন একজন উৎসুক পাঠক। ইংরেজি ও উর্দু সাহিত্যের অনুরাগী ছিলেন তিনি। এখানে অভিনেত্রী দেবিকা রানী প্রথম দেখাতেই দিলীপ কুমারকে পছন্দ করে ফেলেন। মাসিক ১,২৫০ রুপি বেতনে তিনি বেতনভুক্ত অভিনেতা হিসেবে নির্বাচিত হন বোম্বে টকিজের। নাম গেলো পাল্টে। দেবিকা রানী তাকে বলেন, “দেখো ইউসুফ, যেহেতু আমরা খুব তাড়াতাড়ি তোমাকে নিয়ে সিনেমা বানাচ্ছি, পর্দায় তোমার নামটা পরিবর্তন করতে চাই আমি। ইউসুফ খানের বদলে দিলীপ কুমার নামটাই আমার পছন্দ।”

১৯৪৪ সালে ‘জোয়ার ভাঁটা’ ছবি দিয়ে হিন্দি ছবির জগতে পা রাখেন দিলীপ কুমার। তারপর ‘প্রতিমা’ (১৯৪৫) এবং ‘মিলন’ (১৯৪৭) সিনেমা দুটি মুক্তি পায়। তবে ১৯৪৭ সালের শেষদিকে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জুগনু’ই হচ্ছে তার প্রথম হিট ছবি। ১৯৫৫ সালে অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্রের ‘দেবদাস’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করে ‘ট্রাজেডি কিং’ উপাধিতে ভূষিত হন। দিলীপ কুমারের উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে- নয়াদৌড় (১৯৫৭), মুসাফির (১৯৫৭), মধুমতি (১৯৫৮), পয়গাম (১৯৫৯), কোহিনুর (১৯৬০) ইত্যাদি। ১৯৬৬ সালের ১১ অক্টোবর সহশিল্পী সায়রা বানুকে বিয়ে করেন দিলীপ কুমার। দিলীপ কুমার ১৯৮০ সালে বোম্বে নগরীর শেরিফ নির্বাচিত হন। ১৯৯৪ সালে তাকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।১৯৯৮সালে পাকিস্তান সরকার তাকে তাদের সর্বোচ্চ বেসামরিক সন্মান ‘নিশান-ই-ইমতিয়াজ’ খেতাবে ভূষিত করে। তিনি ভালো থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *