Amit Shah Tables Citizenship Amendment Bill in Lok Sabha

Citizenship Amendment Bill: বিল পেশ করলেন অমিত শাহ

কলকাতা

অবশেষে আজ লোকসভায় পেশ হল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (Citizenship Amendment Bill) ২০১৯। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিলটি পেশ করেন।

অবশেষে আজ লোকসভায় পেশ হল নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল (Citizenship Amendment Bill) ২০১৯। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বিলটি পেশ করেন। বিলটি সংখ্যালঘুদের বিপক্ষে নয় বলে এদিন স্পষ্ট করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যদিও তাঁর বক্তব্যের মধ্যেই তুমুল চিৎকার শুরু করে দেন বিরোধীরা। বিলের বিরোধিতা করে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস-সহ অন্যান্য বিরোধী দল। কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্যের বক্তব্য, ‘বিলের মধ্যে এমন কিছু থাকা কাম্য নয় যা সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে উস্কানি দিতে পারে। কিন্তু প্রস্তাবিত বিলটিতে সেই সুযোগ থাকায় আমরা তা গ্রহণ করতে পারছি না।’ বিরোধীদের উদ্দেশ্য অমিত শাহ বলেন, ‘আমি সব প্রশ্নের উত্তর দেব। কিন্তু আপনারা ওয়াকআউট করবেন না।’

সীতারাম ইয়েচুরি বলেন, ‘‘এটি আরএসএস ও বিজেপির বিভাজনের রাজনীতি। কেন শুধু তিনটি প্রতিবেশী দেশের কথা উল্লেখ থাকবে? কোনও বৈষম্য না রেখে সব ধর্মের ব্যক্তিদের সমান সুযোগ দেওয়া উচিত।’’ সারা ভারত নমশূদ্র বিকাশ পরিষদের নেতা মুকুল বৈরাগ্যের বক্তব্য, ‘আবেদনের ভিত্তিতে নাগরিকত্ব মিলবে। কিন্তু আইনটি সংশোধনের পর কী শর্ত চাপানো হয়, তা নিয়েই আশঙ্কা থাকছেই।’ আজ, লোকসভায় নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ২০১৯ পেশের পর আলোচনা হবে। তারপরই এদিনই প্রস্তাবিত বিলটির উপর ভোটাভুটি হবে লোকসভায়। আগামী ১১ই ডিসেম্বর সরকারপক্ষ এই বিল রাজ্যসভায় পেশ করতে পারে। আগামী ১৩ই ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন।

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল ২০১৯ ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়েছে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলি। উত্তর পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে এই বিলের ফলে বহুসংখ্যক বেআইনি বাংলাদেশিরা নাগরিকত্ব পেয়ে যাবেন বলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা যে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ করেছে, তাতে অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যান্ড, মিজোরামের ইনার লাইন পারমিটভুক্ত এলাকা এবং উত্তর পূর্বের ষষ্ঠ তফশিলভুক্ত এলাকাগুলিকে বাদ রাখা হয়েছে। নাগরিকত্ব বিলে ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন সংশোধন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে আগত হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পারসি ও খ্রিষ্টান অবৈধ অভিবাসীদের যাতে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া যায়, সে কারণেই এই সংশোধনী।নির্দিষ্ট ৬টি ধর্মাবলম্বীদের ক্ষেত্রে ১১ বছরের সময়সীমা কমিয়ে ৫ বছর করবার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *