BJP MPs are in charge of creating a refugee list

Refugee List: বিজেপি সাংসদদের উপর শরণার্থী–‌তালিকা তৈরির ভার

কলকাতা

আইন নিয়ে আঞ্চলিক ভাষায় শ্বেতপত্র প্রকাশ করবে। বিজেপি–‌র ৩০৩ জন সাংসদকেই নির্বাচনী কেন্দ্রে ঘুরে তথ্য (Refugee List) সংগ্রহ করতে হবে।

শরণার্থী বা উদ্বাস্তু একজন ব্যক্তি যিনি নিজ ভূমি ছেড়ে অথবা আশ্রয়ের সন্ধানে অন্য দেশে অস্থায়ীভাবে অবস্থান করেন। জাতিগত সহিংসতা, ধর্মীয় উগ্রতা, জাতীয়তাবোধ, রাজনৈতিক আদর্শগত কারণে সমাজবদ্ধ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তাহীনতাই এর প্রধান কারণ। যিনি শরণার্থী বা উদ্বাস্তুরূপে স্থানান্তরিত হন, তিনি আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে পরিচিত হন। এরাই এখন ভারতের প্রধান আলোচনার বিষয়। পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে প্রচারের উদ্দেশ্যে বিজেপি সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে আঞ্চলিক ভাষায় শ্বেতপত্র প্রকাশ করবে। বিজেপি–‌র ৩০৩ জন সাংসদকেই নির্বাচনী কেন্দ্রে ঘুরে তথ্য (Refugee List) সংগ্রহ করতে হবে।

যে–‌সব কেন্দ্রে বিজেপি জেতেনি, সেখানে দলীয় নেতারা কাজটি করবেন। আগামী ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে বিস্তারিত তথ্য পাঠাতে হবে দলের সদরে। দিল্লি থেকে পুরো বিষয়টিকে সামলাবেন দলের সম্পাদক সত্য কুমার। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ ও ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় পূর্ববঙ্গ থেকে হিন্দু বাঙালি বিতাড়িত হয়ে বর্তমান ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে শরণার্থী হয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেন। এই শরণার্থীরা মূলত পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, মেঘালয়, আসাম, মধ্যপ্রদেশ, আন্দামান নিকোবর দ্বীপ পুঞ্জ ও ভারতের অন্যান্য স্থানে আশ্রয় গ্রহণ করেন। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কিছু শরণার্থী ফিরে গেলেও বাকিরা ভারতেই থেকে যান। আগত শরণার্থীদের মধ্যে শতকরা ৯০ শতাংশ ছিলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী, বাকি কিছু মুসলিম ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বী ছিলেন।

সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ হওয়ার পর বিজেপি–‌‌র তরফে দলের সমস্ত লোকসভার সাংসদকে তাঁদের নির্বাচনী কেন্দ্রে কতজন বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান থেকে আসা হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, শিখ, পার্সি ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী শরণার্থী বসবাস করছেন, তার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে মুসলিম সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের একটি তালিকা তৈরির কথাও বলা হয়েছে। দেশ জুড়ে আন্দোলন ও বিক্ষোভ থামাতে সরাসরি শরণার্থীদের কাছে পৌঁছতে চাইছে বিজেপি। গোটা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বহু শরণার্থী বসবাস করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *