Bowbazar Collapse Affected 75 Families will Get Rs 5 Lacks Each

Bowbazar Collapse: ৭৫ পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা

কলকাতা

বৌবাজারের (Bowbazar Collapse) ক্ষতিগ্রস্ত ৭৬টি পরিবারকে চিহ্নিত করে কেএমআরসিএল তাঁদের হাতে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য তুলে দিচ্ছে।

মেট্রোরেলের জন্য বউবাজারে আতঙ্ক (Bowbazar Collapse) থামেনি একটুও। দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অগণত পরিবার। আর এরমধ্যেই ক্ষতিপূরণ প্রক্রিয়া শুরু করে দিল মেট্রো কর্তৃপক্ষ। বৌবাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ৭৬টি পরিবারকে চিহ্নিত করে কেএমআরসিএল তাঁদের হাতে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য তুলে দিচ্ছে। আগামী সোমবারের মধ্যেই সাহায্য প্রদানের কাজ শেষ করতে চাইছে। ওই বিপর্যস্ত এলাকার আলগা হয়ে যাওয়া মাটির পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে ৪৮ঘণ্টা সময় লাগবে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। পুলিশ এবং কলকাতা পুরসভার সাহায্য নিয়ে মোট কতগুলো পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তার একটি খসড়া তালিকা মেট্রো তৈরি করে। সেখানে ৭৫ পরিবারের প্রাথমিক তালিকা তৈরী হয়েছে। যদিও ক্ষতিগ্রস্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে – রোজই নতুন করে বাড়িতে ফাটল দেখা দিচ্ছে। আর রোজই কোনও না কোনও বাড়ি খালি করার নোটিস দিচ্ছে মেট্রোরেল।

আজ শুক্রবার সকাল থেকে বউবাজার আবার গরম। ভেঙে পড়া বাড়ি থেকে জরুরিকালীন পরিস্থিতিতে বার হতে হয়েছিল বাসিন্দাদের। ফলে সঙ্গে করে নিতে পারেনি প্রয়োজনীয় সামগ্রী।এসব অসুবিধার কথা শুনে সমাধানের চেষ্টা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলে,বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা নিরাপদে বাসিন্দাদের নিজেদের ভেঙে পড়া বাড়িতে নিয়ে যাবেন। তাঁরা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহ করে কিছুক্ষণের মধ্যে বেরিয়ে আসবেন। যদিও এই কাজে বেশি সময় দেওয়া যাবে না। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বেশিক্ষণ থাকলে মারাত্মক বিপদের আশঙ্কা আছে। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শমতো শুক্রবার হোটেল থেকে স্থানীয় বাসিন্দারা ভাঙা বাড়িতে যান। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সেখান থেকে জিনিসপত্র নিয়ে আসেন তারা।

তবে মেট্রোর এই ক্ষতিপূরণ নিয়েও গৃহহীনদের মধ্যে সংশয় দেখা দিয়েছে। তাঁদের অনেকেরই ব্যাঙ্কের কাগজ সেই বাড়িতেই আটকে আছে। আজ শুক্রবার সকাল থেকে জরুরি জিনিসপত্র বার করার জন্য পুলিশ দুর্গা পিতুরি লেন, সেকরাপাড়া লেন ও গৌর দে লেনের গলির মুখ আটকে কুপন দেওয়া শুরু করেছে। তাই সকাল থেকে লাইন দিয়ে সেই কুপন সংগ্রহ করে প্রতিটা পরিবারের সদস্যেরা বাড়ির ভিতরে ঢুকে প্রয়োজনীয় জিনিস বার করে আনছেন। পরিস্থিতি বুঝে খুব কম সময়ের জন্য বাড়িতে ঢোকার অনুমতি দিচ্ছে পুলিশ। বাসিন্দাদের অনেকেরই ব্যাঙ্কের সমস্ত কাগজপত্র বাড়ির ভিতরে আছে। ব্যাঙ্কের নথি ছাড়া অ্যাকাউন্টে জমা পড়া ক্ষতিপূরণের টাকা কী ভাবে তাঁরা পাবেন এই নিয়েই সংশয় তৈরি হয়েছে। তবে মেট্রো কর্তৃপক্ষ তাঁদের আশ্বাস দিয়েছেন, তারা ব্যাঙ্ককে অনুরোধ জানাবেন বিপন্ন গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট খুঁজে বার করার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *