Family of Rape Victim in Kamduni Case Wants Death of the Victims

Kamduni Case: ফাঁসির দাবিতে হাইকোর্টে কামদুনির পরিবার

কলকাতা

কলকাতা হাইকোর্টে উঠে আসে ৬ বছর আগের কামদুনি গণধর্ষণ কাণ্ড (Kamduni Case)। দোষীরা কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন নিম্ন …

স্মৃতি হঠাৎ জেগে উঠলো। তেলেঙ্গানা, হায়দ্রাবাদ আর একবার সামনে এনে দিলো কামদুনিকে। কলকাতা হাইকোর্টে উঠে আসে ৬ বছর আগের কামদুনি গণধর্ষণ কাণ্ড (Kamduni Case)। দোষীরা কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন নিম্ন আদালতের রায় পুনর্বিবেচনার জন্য। কিন্তু উচ্চ আদালতে মামলাটির এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। কামদুনিতে মৃত তরুণীর ভাই এবং স্থানীয় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক বুধবার হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের সঙ্গে দেখা করেন। দায়রা আদালত ২০১৬-র ৩১ জানুয়ারি মূল অভিযুক্তের মধ্যে তিন জনের ফাঁসির সাজা এবং অন্য তিন জনের যাবজ্জীবন কারাবাস ঘোষণা করে। দু’জনকে আদালত খালাস করে দেয়। সাজা ঘোষণার আগেই মারা গিয়েছিল আর এক অভিযুক্ত। দোষী সাব্যস্ত ৬ জনই পরে সাজা মকুবের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করে। এখনো ঝুলে আছে কামদুনির বিচার।

হায়দরাবাদের কাছে এক তরুণী পশু চিকিৎসককে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারার ঘটনার চেয়ে কম নৃশ‌ংস ছিল না কামদুনির ঘটনাও। ২০১৩ সালের ৭ জুন কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে এক তরুণীকে টেনে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়। তার পরে তাঁকে খুন করে দেহ ছিন্নভিন্ন করার পরে সেই দেহাংশ জলা জমিতে ফেলে আসে দুষ্কৃতীরা। ওই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামে কামদুনি। মাসের পর মাস ধরে চলা সেই আন্দোলনে তোলপাড় পড়ে যায় গোটা দেশে। ধরা পড়ে দুষ্কৃতীরা। ২০১৬ সালে তিন জনকে ফাঁসি ও বাকি তিন জনকে যাবজ্জীবনের রায় শোনায় নগর দায়রা আদালত। সেই মামলা এখন চলছে হাইকোর্টে। “এনকাউন্টার” এইজন্যই বোধহয় প্রিয় হতে উঠেছে।

দোষীদের শাস্তির দাবিতে হাইকোর্টে উপস্থিত ছিলেন কামদুনির সেই প্রতিবাদী শিক্ষক প্রদীপ মুখোপাধ্যায় ও আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ চট্টোপাধ্যায়। হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল রায় চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তাঁরা।বেশ কিছুক্ষণ কামদুনি মামলার অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। ঘটনার ছ’বছর পরেও রাতে ঘুমোতে পারে না নির্যাতিতার পরিবার। ধর্ষণের খবর শুনলেই কেঁদে ফেলেন মৃতার মা। তিনি বললেন, ‘‘এ নিয়ে আর কত বক্তব্য দিতে হবে, কে জানে! দিনরাত ঠাকুরকে শুধু বলি, বিনা অপরাধে মেয়েটাকে যারা মেরে ফেলল, সেই অপরাধীরা তো দিব্যি বেঁচে আছে! হায়দরাবাদের মেয়েটির মা-বাবাকে অন্তত এই যন্ত্রণাটা সহ্য করতে হবে না।’’ সবাই অপেক্ষায় আছে এর দ্রুত নিষ্পত্তির।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *