India Pakistan Tension Prevails at SAARC Meeting in New York

SAARC: বিদেশমন্ত্রকের ভাষণ বয়কট ভারত-পাকিস্তানের

কলকাতা

কোথাও মিত্রতার স্পর্শ পাওয়া যাবে না ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে। নিউইয়র্কে সার্কের (SAARC) বৈঠকে ভারত আর পাকিস্তান একে অপরের ভাষণ বয়কট করল।

পৃথিবীর কোথাও মিত্রতার স্পর্শ পাওয়া যাবে না ভারত ও পাকিস্তানের মাঝে। নিউইয়র্কে সার্কের (SAARC) বৈঠকে ভারত আর পাকিস্তান একে অপরের ভাষণ বয়কট করল। পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি জানিয়েছেন, তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের কথা শুনবেন না। শেষমুহূর্তে সার্কের মধ্যাহ্নভোজে তিনি আসবেন না বলে জানিয়েছেন। এরপর কুরেশি আসার আগেই হল ছেড়ে বেরিয়ে যান জয়শঙ্কর। কোনও অবস্থাতেই দুই মন্ত্রী একসঙ্গে ছিলেন না। পরে জয়শঙ্কর জানান, কার্যকর সহযোগিতার জন্য এই অঞ্চলে আগে সন্ত্রাস নির্মূল করা দরকার। জয়শঙ্কর যখন ঘরে ঢোকেন, তখনই কুরেশি বলেন, তিনি কাশ্মীরিদের হত্যাকারীদের সঙ্গে বসবেন না।

রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ সভার ফাঁকে হওয়া সার্কভুক্ত দেশগুলির বিদেশমন্ত্রকের বৈঠকে একে-অপরের ভাষণকে বয়কট করল ভারত ও পাকিস্তান। আসলে গত বছরই শুরু হয়েছিল এই ঠাণ্ডাযুদ্ধ। পাক বিদেশমন্ত্রীর বক্তব্য পেশের আগে বেরিয়ে গিয়েছিলেন তত্‍‌কালীন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। সেই ধারাই অব্যাহত রইল। নিউ ইয়র্কে সার্কের বৈঠকে পাকিস্তানের নাম না-করে এ দিন বিদেশমন্ত্রী জয়শংকর জানান, ‘পারস্পরিক সমঝোতার জন্য প্রাক-শর্ত হল শিকড় থেকে সন্ত্রাসবাদকে উপড়ে ফেলা। রিজিয়নের বেঁচে থাকার জন্যও এটা জরুরি।’ভারতের বিদেশমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার পর বৈঠকে যোগ দেন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, চলতি বছরে পরবর্তী সার্ক বৈঠক হবে পাকিস্তানে।

পাকিস্তানের শাসকদল জানায়, কাশ্মীরে অত্যাচার বন্ধ না হলে পাকিস্তান ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসবে না। রাষ্ট্রসংঘের দফতরের কাছেই এক হোটেলে এই বৈঠকে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপের সার্কের অন্য সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা দুই দেশের ভাষণই শুনেছেন। এর আগে সার্ক শীর্ষ সম্মেলনও বয়কট করেছিল ভারত। পাকিস্তানের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ওই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। কিন্তু ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়, সন্ত্রাস এবং আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না। তাই বৈঠক বয়কট করার কথা ঘোষণা করেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। এর আগে উরি হামলার প্রতিবাদে ২০১৬-সালের সার্ক শীর্ষ বৈঠকেও উপস্থিত ছিল না ভারতের কোনও প্রতিনিধি। এই প্রথম নয়, দীর্ঘদিন ধরেই কূটনৈতিক মহলে সন্ত্রাস ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থানের তীব্র প্রতিবাদ করে আসছে ভারত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *