J&K Block Development Council Election on October This Year

J&K Block Development Council: সামনেই নির্বাচন

কলকাতা

রাজ্যে পঞ্চায়েত বা ব্লক ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের (J&K Block Development Council) নির্বাচন করিয়ে নিতে চায় সরকার।

৩৭০-এর চাপ এখন দেশে ও বিদেশে। ফলে সেখানকার মানুষের স্বাভাবিক জীবন ফিরিয়ে আনতে মরিয়া দেশের কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৩১শে অক্টোবর জম্মু ও কাশ্মীর ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ হচ্ছে। যদিও এর আগেই রাজ্যে পঞ্চায়েত বা ব্লক ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের (J&K Block Development Council) নির্বাচন করিয়ে নিতে চায় সরকার। জানা যাচ্ছে, আগামী ২–৩ দিনের মধ্যেই হতে পারে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা। তবে এখন কাশ্মীরের যা অবস্থা তাতে এই নির্বাচন বিজেপি’‌র পক্ষে যাবে বলেই এটা করা হচ্ছে। জম্মু–কাশ্মীরের ওপর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর এই নির্বাচন সরকারের কাছে মানুষের রায় পরখ করার আসল সময় বলে মনে করছেন অনেকে। আবার এই অস্থির পরিস্থিতিতে নির্বাচন করিয়ে রাজ্য স্বাভাবিক রয়েছে বলে প্রমাণ করতে পারবে সরকার।

জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বিলোপের পর ওই নির্বাচনকে সরকারের কাছে অ্যাসিড টেস্ট বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। উল্লেখ্য, জম্মু–কাশ্মীর পঞ্চায়েতিরাজ আইন ১৯৮৯ অনুযায়ী, ব্লক ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল হল পঞ্চায়েতের দ্বিতীয় ধাপ। এখানে ৩১৬টি ব্লক ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল রয়েছে। ২০১৮ সালে উপত্যকার রাজনৈতিক দলগুলি বয়কট করার পরনির্বাচন করা হয় বেশ কয়েকজন সরপঞ্চকে। জুলাইয়ে জম্মু–কাশ্মীর সফরে রাজ্যের সরপঞ্চদের সঙ্গে বৈঠক করেন অমিত শাহ। রাজ্যের উন্নয়নের জন্য তিনি ৩৭০০ কোটি টাকা দেওয়ার কথাও জানিয়ে যান।

গত বছর উপত্যকার রাজনৈতিক দলগুলি বয়কট করার পরও কড়া নিরাপত্তায় জম্মু ও কাশ্মীরি পঞ্চায়েত নির্বাচন করে প্রশ্ন। তাতে নির্বাচন করা হয় বেশ কয়েকজন সরপঞ্চকে। সম্প্রতি অমিত শাহ, সেখানে হয়ে রাজ্যের উন্নয়নের জন্য তিনি ৩৭০০ কোটি টাকা দেওয়ার কথাও জানিয়ে যান। জম্মু-কাশ্মীরের ওপর থেকে বিশেষ ধারা তুলে নেওয়ার ফলে সেখানকার পরিস্থিতি ক্রমশই উত্তপ্ত হয়েছে। স্বাভাবিক বলে ধরে নেওয়া হলেও কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তকে অনেকেই মেনে নেয়নি। তাই বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু ব্লক ডেভেলপমেন্টের নির্বাচনের মধ্যে দিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চাইছে সেরাজ্যের প্রশাসন। কাশ্মীরের সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিমধ্যেই বিনিয়োগের কথাও জানিয়েছে বিভিন্ন দেশীয় সংস্থা। তবে শিল্প, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কাশ্মীরে পরিবর্তন আনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *