Khagragarh Case Accused Azhar Ali Arrested from Assam

Khagragarh Case: অসমে গ্রেফতার জঙ্গি আজহার

কলকাতা

অবশেষে অসম থেকে গ্রেফতার খাগড়াগড় বিস্ফোরণের (Khagragarh Case) অন্যতম অভিযুক্ত আজহার আলি। গত পাঁচ বছর ধরে পুলিশ তাকে খুঁজছিল।

অবশেষে অসম থেকে গ্রেফতার খাগড়াগড় বিস্ফোরণের (Khagragarh Case) অন্যতম অভিযুক্ত আজহার আলি। গত পাঁচ বছর ধরে পুলিশ তাকে খুঁজছিল। বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের অন্যতম সদস্য আজহার এই সংগঠনের অসম মডিউলের প্রধান। সংগঠনের উত্তর পূর্বের কাজই সে একই সামলাতে। একাধিকবার থাকার জায়গা বদল করলেও এবার আর তা পারেনি। ধরা পড়ে যায় পুলিশের পাতানো জালে।এখন সাতদিনের পুলিশ হেফাজত হয়েছে তাঁর। অসমের বরপেটা থেকে জেএমবি জঙ্গি আজহারকে গ্রেফতার করেছে অসম পুলিস। অনেক ছদ্মনাম ছিল আজহার আলির। কোথাও তার নাম ছিল আজহারউদ্দন আহমেদ আবার কোনও জায়গায় আজহারউদ্দিন আলি।

কুখ্যাত সেই খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডের অন্যতম ষড়যন্ত্রী ছিল আজহার। গত ৫ বছর ধরে পলাতক ছিল আজহার। শেষে ইনটেলিজেন্স ব্যুরো ও এনআইএ-থেকে পাওয়া গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আজহারকে গ্রেফতার করে অসম পুলিস। ধৃত জঙ্গি অসমের বরপেটা এলাকায় আত্মগোপন করেছিল। শুধু পশ্চিমবঙ্গের খাগড়াগড় নয়, অসমেও একাধিক নাশকতার ঘটনায় আজহারের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। গতমাসে চেন্নাই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল, জেএমবির চেন্নাই মডিউলের চাঁই আসাদুল্লাকে। বর্ধমানের ভাতারের নিত্যানন্দপুর ডাঙাপাড়ায় বাড়ি হলেও, জেএমবির চেন্নাই মডিউলের দায়িত্ব ছিল তার উপর।

২০১৪ সালের ২রা অক্টোবর বর্ধমানের খাগড়াগড়ে জঙ্গিদের একটি ডেরায় বিস্ফোরণ ঘটে। আর ২ জঙ্গির ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। তদন্তের দায়িত্বভার গ্রহণ করে এনআইএ। এরপর পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতে জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি-এর বিশাল নেটওয়ার্কের কথা জানতে পারেন তদন্তকারী অফিসাররা। অনেকদিন থেকেই ভারতে সংগঠন বিস্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে জেএমবি। বাংলার পাশাপাশি সংগঠন বিস্তারের জন্য তারা বেছে নিয়ে বিহার, কর্নাটক, কেরল, মহারাষ্ট্রকে। এব্যাপারে সতর্কও করেছে এনআইএ। এবার আরও তথ্য মিলবে এই ধৃতের কাছ থেকে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *