Maruti Suzuki Cuts Job of 3000 Contract Employees

Maruti Suzuki Cuts Job: ৩০০০ কর্মী ছাঁটাই

কলকাতা

পার্ল-এ বিস্কুটের পর মারুতি সুজুকি। বিষয় সেই কর্মী ছাঁটাই (Maruti Suzuki Cuts Job)। আসলে ভারতীয় গাড়ির বাজারে ঘোর মন্দা দশা চলছে।

ভারতের ব্যবসার বাজারে কালো মেঘের আনাগোনা শুরু হয়েছে। পার্ল-এ বিস্কুটের পর মারুতি সুজুকি। বিষয় সেই কর্মী ছাঁটাই (Maruti Suzuki Cuts Job)। আসলে ভারতীয় গাড়ির বাজারে ঘোর মন্দা দশা চলছে। যার ফলে তিন হাজারের বেশি ঠিকাকর্মীকে ছাঁটাই করল মারুতি সুজুকি কোম্পানি। তবে স্থায়ী কর্মীদের চাকরিতে এই ছাঁটাই হবে না বলে জানা যাচ্ছে। এমএসআই চেয়ারম্যান আরসি ভার্গভ বলেন, “ব্যবসায় মন্দা দেখা দেওয়ায় অস্থায়ী কর্মীদের সঙ্গে কনট্রাক আর রিনিউ করা হয়নি। তবে স্থায়ী কর্মীদের ক্ষেত্রে এর কোনও প্রভাব পড়বে না বলে আশ্বস্ত করেছেন সংস্থার শীর্ষ এই কর্তা।”

তবে এই পদক্ষেপে এমএসআই চেয়ারম্যান জানান, ‘বাজারে গাড়ির চাহিদা যত বাড়ে তত আমরা অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ করি। চাহিদা কমলে কর্মী ছাঁটাই করা হয়। এটি আমাদের ব্যবসার অঙ্গ।’ জুলাইয়ের সমীক্ষা বলছে, টানা ন’মাস গাড়ির বিক্রি কার্যত তলানিতে এসে ঠেকেছে। নানা অফারের পাশাপাশি দাম কমিয়েও বিক্রিতে গতি আসছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গোটা বিশ্বেই অর্থনীতিতে মন্দ গতি। তার প্রভাব পড়েছে আমাদের ভারতেও। তাছাটা মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে। সাধারণ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দিকে ঝুঁকছেন । এর সাথে যোগ হয়েছে গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থাহগুলির উপর সরকারের ‘সেফটি নর্মস’ বা নিরাপত্তার বিধিনিষেধ এবং অতিরিক্ত কর।

উৎপাদন ১৫ থেকে ২০ শতাংশ হ্রাস করেছে গাড়ি নির্মাতা সংস্থাগুলি। গাড়ি শিল্পের এই অপ্রত্যাশিত সংকটে বিপদের মুখে দাঁড়িয়েছে ছোট কারখানাগুলি। এভাবে চলতে থাকলে খুব শীঘ্রই গাড়ির যন্ত্রাংশ উৎপাদন ক্ষেত্রে সঙ্গে জড়িত ১০ লক্ষ মানুষের চাকরি চলে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া সহযোগী অন্যান্য় ক্ষেত্রগুলিতে ব্যাপক কর্মচ্যূতির আশঙ্কা আছে। তাছাড়া মধ্যবিত্তদের অনেকেই যাঁরা গাড়ি কেনার পরিকল্পনা করছিলেন, তাঁদের অনেকেই নিজে গাড়ি কিনে তার রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ভার বহনের চেয়ে দরকারে ওলা-উবারের মতো অ্যাপ-ক্যাব পছন্দ করছেন। তাই অধিকাংশ গাড়ি প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলি কার্যত ধুঁকছে।

কোম্পানির চেয়ারম্যান আরসি ভার্গব বার্ষিক সাধারণ সভায় জানান, সেফটি নর্মস এবং উচ্চ হারে করের ধাক্কায় গাড়ি উৎপাদনের খরচ বেড়েছে। ফলে ঘাড়ে চেপেছে বহনের অযোগ্য বোঝা। আর সেই কারণেই ৩০০০ ভিত্তিক কর্মীর চুক্তি রিনিউ বা পুনর্নবীকরণ করা হয়নি। তবে ওই কর্মীদের পাওনা কী ভাবে মেটানো হয়েছে, বা কোনও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি তিনি। ফলে একটা অচেনা অন্ধকার তৈরী হচ্ছে ভারতের গাড়ি শিল্পে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *