MNS Chief Raj Thackeray in Money Laundering Case

Raj Thackeray: কোহিনুর সিটিএনএল দুর্নীতিতে হাজিরা

কলকাতা

এই মামলার তদন্তে শুধু রাজ ঠাকরেই (Raj Thackeray) নয়, জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর যোশীর পুত্র উম্মেশ যোশীকেও।

ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেডের অর্থ নয়ছয়ের তদন্তের মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট সক্রিয়। এই দপ্তর মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা দলের প্রধান রাজ ঠাকরেকে (Raj Thackeray) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল। ইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাঁকে তদন্তকারী অফিসারদের মুখোমুখি হতে হবে। কিন্তু এই মামলার তদন্তে শুধু রাজ ঠাকরেই নয়, জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা শিবসেনা নেতা মনোহর যোশীর পুত্র উম্মেশ যোশীকেও। তাঁকে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল অনেক আগে।

জল্পনার হলো অবসান। কোহিনূর সিটিএনএল-এ অর্থ তছরুপের মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দফতরে হাজিরা দিলেন মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা প্রধান মাননীয় রাজ ঠাকরে। তাঁর সাথে যাচ্ছেন তাঁর স্ত্রী শর্মিলা, ছেলে অমিত এবং মেয়ে উর্বশী। আসলে তাঁর হাজিরা ঘিরে এমএনএস সমর্থকদের বিক্ষোভের সম্ভাবনা থাকায়, মুম্বইয়ে ইডির সদর কার্যালয়ে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। আজ মুম্বই বন্‌ধের ডাক দিয়েও তা ফিরিয়ে নিয়েছে এমএনএস।

কোহিনুর সিটিএনএল নামে একটি সংস্থায়, আইএল অ্যান্ড এফএস গোষ্ঠীর লোন ইকুইটি ইনভেস্টমেন্ট মামলায় রাজ ঠাকরের কী ভূমিকা ছিল সেটাই স্পষ্ট করে জানতে চাইছে বলে জানিয়েছেন ইডি কর্তারা। এই কোহিনুর সিটিএনএল সংস্থার সঙ্গে জড়িত ছিলেন উম্মেশ যোশী। উম্মেশ ও রাজ ঠাকরে একটি কনসোর্টিয়াম তৈরীর জন্য বেশ কিছু সম্পত্তি ক্রয় করেছিলেন। পরে যদিও সেখান থেকে রাজ ঠাকরে সরে আসেন। দুজনকেই ডেকে পাঠিয়ে, সামনে সামনি বসিয়ে ইডি এই লেনদেনের বিষয়টি স্পষ্ট ভাবে জানতে চাইছে।

ইডির গোয়েন্দারা জানতে পারেন, একটি কনসর্টিয়াম তৈরি করে কোহিনূর মিলসের একটি অংশ কেনেন ৪২১ কোটি টাকায়। ওই জমিতে একটি শপিং মল তৈরির পরিকল্পনা ছিল। জমি কেনার ওই ৪২১ কোটির মধ্যে ঋণদানকারী সংস্থা আইএলঅ্যান্ডএফএস ২২৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে। বাকি ১৯৬ কোটি টাকা সমান অংশে ভাগ করে দেন রাজ ঠাকরে, উমেশ যোশী এবং রঞ্জন শিরোদকর। কিন্তু আইএলঅ্যান্ডএফএস মাত্র ৯০ কোটি টাকায় অর্থাৎ বিপুল লোকসানে নিজেদের অংশ বিক্রি করে দেয়। ওই বছরই কনসর্টিয়াম থেকে বেরিয়ে আসেন রাজ ঠাকরেও। এই ধোঁয়াশা কাটাতেই ইডি তাদেরকে জেরায় বসিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *