Modi Government Plans to Sell Air India and Bharat Petroleum Within March 2020

Air India and Bharat Petroleum: মার্চের মধ্যেই বিক্রি

কলকাতা

বাজেট আসন্ন, ফিস্কাল ডেফিসিট কমাতে, এয়ার ইন্ডিয়া এবং ভারত পেট্রোলিয়াম (Air India and Bharat Petroleum) বিলগ্নিকরণের ছক তৈরি করে ফেলেছে মোদী সরকার।

বাজেট আসন্ন, ফিস্কাল ডেফিসিট কমাতে, এয়ার ইন্ডিয়া এবং ভারত পেট্রোলিয়াম (Air India and Bharat Petroleum) বিলগ্নিকরণের ছক তৈরি করে ফেলেছে মোদী সরকার। 2020 -এর মার্চ মাসের মধ্যেই এই দুই কেন্দ্রীয় সংস্থা বিক্রির প্রক্রিয়া শেষ করতে চায় সরকার। কোনো মিডিয়া নয় জানিয়েছেন খোদ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন।

এক সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী সীতারামান বলেন, ‘এই আর্থিক বছরের মধ্যে এই দুই সংস্থার বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে আমরা চলছি। এখন বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’ এয়ার ইন্ডিয়া এবং ভারত পেট্রোলিয়ামকে ঘিরে লগ্নিকারীদের মধ্যে ইতোমধ্যে বিপুল উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর আগে সংসদীয় আইন অনুসারে BPCL গঠন করা হয়েছিল। এই সংস্থার শেয়ার বিক্রি করতে গেলে লোকসভা এবং রাজ্যসভার অনুমতি নিতে হবে মোদী সরকারকে। বর্তমানে BPCL-এ সরকারের ৫৩।২৯ শতাংশ অংশিদারিত্ব আছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত এই সংস্থাগুলির শেয়ার বিক্রি করে চলতি আর্থিক বছরে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে মোদী সরকার। শুধুমাত্র সরকারি সংস্থার শেয়ার বেচে এই বছর ১,০০০,০০০,০০০,০০০ টাকা (১ ট্রিলিয়ন) ঘরে তোলার চিন্তা করা হয়েছে। বর্তমান বছরে বাজেট ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা জিডিপির ৩।৩ শতাংশের মধ্যে রাখার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সরকার। কিন্তু মন্দার কারণে রাজস্ব আদায় কম হওয়ায় সরকার সেই টার্গেট পূরণে কতটা সফল হবে, তা নিয়ে ধন্দে আছে গোটা রাজনৈতিক মহল।

চলতি আর্থিক বছরে ₹১৩।৩৫ লক্ষ কোটি টাকা প্রত্যক্ষ আয়ের লক্ষমাত্রা নিয়েছিল কেন্দ্র। কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই খাতে মাত্র ₹৬ লক্ষ কোটি টাকা আদায় হয়েছে। অর্থাৎ চলতি আর্থিক বছরের প্রথম সাত মাসে টার্গেটের ৫০ শতাংশেরও কম অর্থ কেন্দ্রীয় রাজকোষে জমা পড়েছে বলে সম্প্রতি জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় প্রত্যক্ষ কর পর্ষদের (CBDT) পিসি মোদী।

অন্যদিকে শিল্প উৎপাদনের হালও তলানিতে। চলতো বছরের বিগত সেপ্টেম্বর মাসে শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধির হার ৪।৩ শতাংশ কমেছে। ২০১২ সালের এপ্রিলের পরে এই প্রথম দেশের শিল্প ক্ষেত্রের এমন হাল এমন বেহাল হলো। বিগত অগস্ট মাসে শিল্প উৎপাদনে সূচক ১।১ শতাংশ কমে গিয়েছিল। ফলে দেশের আর্থিক অবস্থা নিয়ে চূড়ান্ত বিপাকে নরেন্দ্র মোদী সরকার। আবার বিশ্ব ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ভারতের অবস্থা এখনই শুধরে যাবার নয় । বেকারত্বের হার আরো বাড়তে পারে সেইসঙ্গে মূল্যবৃদ্ধি চরমে। রিজার্ভ ব্যাংকও হিমশিম খাচ্ছে মুদ্রাস্ফীতির হার ধরে রাখতে । সুতরাং, সেবী চিন্তাভাবনা করছে রেপো রেট বাড়ানোর । যা অর্থনীতির ক্ষেত্রে আরো ভয়াবহ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *