Modi Government Readies 5 PSUs Divestment Plan

PSUs Divestment:পাঁচ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বিলগ্নিকরণের সিদ্ধান্ত

কলকাতা

বিলগ্নিকরণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ৷ আরও পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিক্রির (PSUs Divestment) চূড়ান্ত ছাড়পত্র দিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির অর্থবিষয়ক মন্ত্রিগোষ্ঠী ৷

দেশ কোন দিকে যাচ্ছে? সরকারের হাতের বাইরে পাঁচটি নামি-দামি সংস্থা। আগে ২৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার অংশীদারি বিক্রির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ৷ বিপিসিএলের ৫৩ শতাংশ মালিকানা বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয় ৷ শিপিং কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়ার মানিকানা ৬৩ শতাংশ বিলগ্নিকরণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে ৷ আরও পাঁচটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিক্রির (PSUs Divestment) চূড়ান্ত ছাড়পত্র দিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদির অর্থবিষয়ক মন্ত্রিগোষ্ঠী ৷ এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির মধ্যে অন্যতম ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন থেকে শিপিং কর্পোরেশন ৷

নরেন্দ্র মোদি সরকার একাধিক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার সরকারের অংশীদারিত্ব ৫১ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বৈঠক শেষে জানান, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির বিলগ্নিকরণের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার আর্থিক বিষয়ক কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বেশ কিছু রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় সরকারের অংশীদারি ৫১ শতাংশের নীচে নামিয়ে আনা হবে। উল্লেখ্য, বাজেটে চলতি বছরে বিলগ্নিকরণ থেকে ১ লক্ষ ৫ হাজার কোটি টাকা তোলার লক্ষ্য নিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। মনে করা হচ্ছে, অহমি ২০২০ সালের মার্চ মাসের মধ্যে সেই লক্ষ্যপূরণের জন্যই পাঁচ সংস্থার শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থ মন্ত্রক।

এর মাঝে আসলো অন্যরকর স্বস্তি। ভোডাফোন-আইডিয়া, ভারতী এয়ারটেলের মতো তীব্র আর্থিক সঙ্কটের মধ্যে দিয়ে চলা টেলিকম সংস্থাগুলি কিছুটা রেহাই পেলো। টেলিকম সংস্থাগুলিকে স্পেকট্রামের বকেয়া অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রে ছাড় দিল কেন্দ্র সরকার। নির্মলা সীতারমন জানান, “টেলিকম সংস্থাগুলির আবেদন এবং সচিব কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে তাঁরা স্পেকট্রামের বকেয়া মেটানো আপাতত ২ বছরের জন্য পিছিয়ে দিচ্ছেন। তবে সেই বকেয়া বাকি সময়ে কিস্তিতে মেটাতে হবে টেলিকম সংস্থাগুলিকে।” তবে বিপিসিএলের মতো লাভজনক সংস্থা বেচে দেওয়াকে, সংসার চালাতে সোনা বেচে দেওয়া হিসেবেই দেখছেন বিরোধী নেতারা। ২০১৮-১৯ সালে বিপিসিএল প্রায় ৭৮০০ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। অর্থ মন্ত্রকের কর্তাদের আশা, বিপিসিএল বেচে অন্তত ৬০ হাজার কোটি টাকা আসতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *