modi-govt-on-job-policy-bill-in-parliament-this-winter-season

Govt on Job: কেন্দ্রীয় বিল, কোনও চাকরিই আর স্থায়ী নয়

কলকাতা

এ দেশে স্থায়ী চাকরি (Govt on Job) বলে আর কিছু থাকবে না ৷ সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি, উঠে যেতে পারে স্থায়ী চাকরি করার দিবাস্বপ্ন ৷

এ দেশে স্থায়ী চাকরি (Govt on Job) বলে আর কিছু থাকবে না ৷ সরকারি হোক কিংবা বেসরকারি, উঠে যেতে পারে স্থায়ী চাকরি করার দিবাস্বপ্ন ৷ এমনই বন্দোবস্ত করতে চলেছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার ৷ আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে এমনই শ্রম বিধি পাশ করাতে চলছে কেন্দ্রীয় সরকার। গত বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘লেবার কোড অন ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল রিলেশনস ২০১৯’ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জানা গিয়েছে, নতুন শ্রম বিধিতে চুক্তিভিত্তিক চাকরির উপর জোর দেওয়া হয়েছে। সংস্থাগুলি যাতে যেকোনও সময়সীমার জন্য চুক্তির ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ করতে পারে তার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আঁতকে উঠলেও বিষয়টি সত্য। দেশের ৪৪টি শ্রম আইন বিলোপ করে তৈরি হচ্ছে ৪টি শ্রম কোড। ইতিমধ্যে মজুরি সংক্রান্ত শ্রম আইন বিলোপ করে শ্রম মজুরি বিধি বিল পাশ হয়েছে। তা চালু হয়ে গেছে। শিল্পে নানা পেশায় নিরাপত্তায় শ্রম বিধি বিল সংসদে পেশ হওয়ার পর তা সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে। তা নিয়ে এখন আলোচনা চলছে। এবার তৃতীয় শ্রম বিধি বিল পেশ হতে চলেছে। এর ফলে দেশে পাকা চাকরির সংজ্ঞা পালটে দেওয়া হচ্ছে। যদিও নয়া উদারনীতির জমানায় শ্রম আইন প্রায় উঠেই গেছে। সব নিয়ম লঙ্ঘন করে বেশিরভাগ বেসরকারি সংস্থায় চলে চুক্তিতে অস্থায়ী নিয়োগ।

ট্রেড ইউনিয়ন অ্যাক্ট ১৯২৬, ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল অ্যাক্ট ১৯৪৬ ও ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল ডিসপুট অ্যাক্ট পরিবর্তন করার বিষয়েও কথা চলছে। কেন্দ্রের তরফে নতুন শ্রম বিধির বিষয়ে একটি খসড়াও তৈরি করা হয়েছে। গত বছর শিল্প সম্পর্কিত শ্রম বিধি বিলের খসড়া প্রকাশ করে কেন্দ্র। এরপর কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি এর বিরোধিতা করে। তবুও এটি আবার সামনে আনা হচ্ছে। বর্তমান আইনে ১০০ কর্মী থাকলেই যেকোনও শিল্পে ছাঁটাই করার ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। নতুন বিধিতে সেই শর্তের বিষয়টি শিথিল করা হয়েছে। এই বিধি যদি কার্যকর করা হয়, তাহলে দেশে কর্মসংস্থানের সুদুরপ্রসারী প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন অনেকে৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *