NDRF Rescues 4 Dead Bodies from Illegal Mine in Akanbangan

Illegal Mine in Akanbangan: 4 দিন পরে উদ্ধার 3 যুবকের দেহ

কলকাতা

ঠিক চার দিন পর কুলটির আলডিতে অবৈধ খনির (Illegal Mine in Akanbangan) গর্ত থেকে প্রথমে উদ্ধার হয় তিন জনের মধ্যে এক জনের দেহ।

অবশেষে বিষাদের সাফল্য এলো। ঠিক চার দিন পর কুলটির আলডিতে অবৈধ খনির (Illegal Mine in Akanbangan) গর্ত থেকে প্রথমে উদ্ধার হয় তিন জনের মধ্যে এক জনের দেহ। শুক্রবারও যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কাজ চালায় এনডিআরএফ। তারপর আরও দুজনের দেহ উদ্ধার হয়। দু’দিন বন্ধ থাকার পর খনিগর্ভে আটকে থাকা তিন যুবককে উদ্ধারের চেষ্টা ফের শুরু হয় গতকাল বৃহস্পতিবার। রবিবার ওই খনিগর্ভে নেমেছিলেন তিন যুবক। আচমকা ধস নামায় খনি থেকে কয়লা তুলতে গিয়ে আটকে পড়েন তাঁরা।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা থেকে এনডিআরএফ-এর একটি দল আলডির খনিতে পৌঁছয়। তখন দু’টি বড় পে-লোডার আনা হয়। সেখানে একটি ক্যাম্প তৈরি করেন উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা। তাঁরা প্রচুর যন্ত্রপাতি-সহ উদ্ধারকার্য শুরু করেন। কিন্তু, এই অবৈধ খনির মানচিত্র নেই। কোথায় তিন যুবক আটকে থাকতে পারেন, সে ব্যাপারে আঁচ করা মুশকিল। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের কথার উপর ভরসা করতে হয় এনডিআরএফ-কে। এলাকাবাসীর কথার ভিত্তিতে প্রথমে পে-লোডার দিয়ে খোলামুখ খনির মতো মুখ তৈরির চেষ্টা করা হয়। প্রায় ৩০ ফুট পর্যন্ত মুখটি চওড়া করেন উদ্ধারকারীরা।

খনির মুখ এত ছোট ছিল যে তারা ভিতরে ঢুকতেই পারেনি। খনির মুখ চওড়া করতে গিয়ে এলাকায় ধস নামতে পারে, এই আশঙ্কায় ইসিএল কর্তৃপক্ষ আর এগোননি। ইসিএল ও স্থানীয় সিভিল ডিফেন্স কিছু করতে না পারায় স্থানীয় আদিবাসীদের মধ্যে এ নিয়ে ক্ষোভ বাড়তে থাকে।খনিতে বিষাক্ত গ্যাস থাকায় এবং অক্সিজেনের অভাবে সমস্যায় পড়তে হয় উদ্ধারকারী দলকেও।অবশেষে খনিতে আটকে পড়়া তিন জনের পচাগলা দেহ উদ্ধার করে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। এলাকা জুড়ে নেমেছে শোকের ছায়া। অবৈধ খনিতে প্রবেশ করে মৃত্যু ঘটনা কমছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *