Odisha Lockdown Extended Till 30th of April 2020

Odisha Lockdown: ওড়িশাতে লকডাউন ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত

কলকাতা

প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্সের আগেই পরিস্থিতি বুঝে, দেশের প্রথম রাজ্য হিসাবে লকডাউনের সময় বাড়িয়ে নিলো ওড়িশা (Odisha Lockdown)। ওই …

আগামী ১১ই এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকলো না ওড়িশা। প্রধানমন্ত্রীর সাথে ভিডিও কনফারেন্সের আগেই পরিস্থিতি বুঝে, দেশের প্রথম রাজ্য হিসাবে লকডাউনের সময় বাড়িয়ে নিলো ওড়িশা (Odisha Lockdown)। ওই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েক বলেন, ‘আগামী ৩০শে এপ্রিল পর্যন্ত আমরা লকডাউন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে একটি সুপারিশ পাঠানো হবে।’ ওই সময় পর্যন্ত ওড়িশায় রেল ও উড়ান পরিষেবা বন্ধ রাখার জন্য কেন্দ্রকে আর্জি জানিয়েছে ওড়িশা। যেভাবেই হোক মারণ ভাইরাস থেকে বাঁচতে চাইছে ওড়িশা।

Empty Road of Odisha
Empty Road of Odisha

গত বুধবার সর্বদল বৈঠকে বসেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকে দেশের একাধিক নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের উপর থেকে লকডাউন তুলে নেওয়া প্রায় সম্ভব নয়। আর এর ফলে প্রায় স্পষ্ট হয়ে গেল যে দেশের লকডাউন পরিস্থিতি ১৪ই এপ্রিল শেষ হচ্ছে না। তবে ওড়িশা সরকারের তরফে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আগের মতো কৃষিকাজ, প্রাণীসম্পদ বিকাশ ও ১০০ দিনের কাজ লকডাউনের আওতার বাইরে থাকবে। তবে সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে চলতে হবে। পণ্যবাহী গাড়িও চলাচল করবে বলে জানানো হয়েছে।

ওষুধ পেতেই আমেরিকা, ব্রাজিলের প্রশংসার স্তুতি – আরও জানতে ক্লিক করুন …

দেশের ২১ দিন মেয়াদের এই লকডাউন শেষ হওয়ার কথা ১৪ই এপ্রিল। যদিও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে বেশ কয়েকটি রাজ্য ইতিমধ্যেই লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। ওড়িশাতে ১৭ই জুন পর্যন্ত বন্ধ থাকবে সমস্ত স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক বলেছেন, “সমগ্র মানবজাতির কাছে করোনাভাইরাসের প্রকোপ এক ভয়ানক সমস্যা। জীবন এখন আগের মত নেই। আমাদের সকলকেই পরিস্থিতি বুঝতে হবে এবং একসঙ্গে এর বিরুদ্ধে লড়তে হবে। সকলের সহযোগিতা, ধৈর্য এবং প্রভু জগন্নাথের কৃপায় আমরা এই জটিল সময় ঠিক কাটিয়ে উঠব।”

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে করোনা ভাইরাস নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করতে বললেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা – আরও জানতে ক্লিক করুন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *