Owner of Fire Cracker Unit Arrested in Naihati Blast Case

Naihati Blast Case: বাজি কারখানার মালিক নুর গ্রেপ্তার

কলকাতা

ঘটনার (Naihati Blast Case) পর থেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় কারখানা মালিক নুর হোসেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এক বছর …

অল্প সময়ের মধ্যেই নৈহাটির মামুদপুরের বাজি কারখানার মালিককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে আমডাঙা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় নুর হোসেনকে। এই ধৃতের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। আজ শনিবার, বারাকপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে অভিযুক্তকে। নুরের সঙ্গে আরও দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। ঘটনার (Naihati Blast Case) পর থেকেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় কারখানা মালিক নুর হোসেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এক বছর আগেও এই এলাকায় বিস্ফোরণের ফলে মৃত্যু হয়েছিল ৫ জনের।

আজ নৈহাটির সেই বিস্ফোরণের ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা। বিস্ফোরণের কারণ তদন্ত করে খতিয়ে দেখা উচিত বলে জানিয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। অবিলম্বে কারখানা বন্ধের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। গতকাল শুক্রবার দুপুর পৌনে বারোটা নাগাদ নৈহাটির দেবকের মামুদপুরে বাজি কারখানায় কাজ চলছিল। পাঁচ-ছ’জন বাজি কারখানায় কাজ করছিলেন। আচমকাই প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। আতঙ্কে বেড়িয়ে পড়েন স্থানীয়রা। তাঁরা দেখেন জঙ্গলে ঘেরা এলাকার বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছে।

এই ঘটনায় ধৃতের বিরুদ্ধে গাফিলতি, অনিচ্ছা খুন, বেআইনি কারখানা-সহ জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা রুজু করা হয় পুলিশের তরফ থেকে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতেরা হলেন বিন্দা সাঁপুই (৪০), কল্পনা হালদার (৪২), রাম বেসরা (৪৫) এবং মনসুর পেয়াদা (১৯)। রাম ও মনসুর দেবক গ্রামের বাসিন্দা। বিন্দার বাড়ি নৈহাটির কুলিয়াগড়ে। কল্পনার বাড়ি পাশের সুভাষপল্লিতে। অভয় মান্ডি এক শ্রমিককে আগুনে ঝলসানো অবস্থায় কারখানার বাইরে থেকে উদ্ধার করেন গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁকে কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *