Pak Navy Operating Naval Exercise

Pak Navy: নৌ মহড়া, হামলার ছক, ভারত যুদ্ধজাহাজ নামালো

কলকাতা

এই আশঙ্কার (Pak Navy) ফলে উত্তর আরব সাগরে যুদ্ধবিমান, নজরদারি বিমান, রণতরী ও সাবমেরিন মোতায়েন করেছে ভারত।

সমুদ্রে নৌ মহড়ার (Pak Navy) আড়াল থেকে হামলা চালাতে পারে পাকিস্তান। এই আশঙ্কার ফলে উত্তর আরব সাগরে যুদ্ধবিমান, নজরদারি বিমান, রণতরী ও সাবমেরিন মোতায়েন করেছে ভারত। পাকিস্তানের যে কোনও রকম আচরণের মোকাবিলা করতে পুরোদমে তৈরি ভারত। তাই ভারতীয় বাহিনীর কড়া নজরদারিতে রয়েছে পাকিস্তানের এই নৌ মহড়া। সম্প্রতি ইসলামাবাদ জানায়, ২৫ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর উত্তর আরব সাগরে নৌ মহড়া চালাবে তারা। ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ থেকে শুরু করে গুলিচালনা—সবই হবে জোরকদমে। তাই এই পথ যেন এড়িয়ে যাওয়া হয়। এই সতর্কবার্তার কথা জানতে পেরেই নড়েচড়ে বসে নয়াদিল্লি। কারণ নামে নৌ মহড়া হলেও, এর আড়াল থেকেই পাকিস্তান হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা ভারতের।

এবার উত্তর আরব সাগরে নৌ মহড়া চালাবে তারা। মিসাইল উৎক্ষেপণ থেকে শুরু করে ‘লাইভ ফায়ারিং’ সবই হবে সেখানে। তাই এই এলাকা যেন এড়িয়ে যায় পণ্যবাহী জাহাজগুলি। এই কথা জানতে পেরে নড়েচড়ে বসেছে নয়াদিল্লি। আসলে নৌ মহড়ার আড়ালে পাকিস্তান হামলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা ভারতের। এক শীর্ষ নৌসেনা কর্তা জানিয়েছেন, ‘রিবাৎ’-এর মতো এই নৌ মহড়া প্রতি বছর চালায় পাকিস্তান। নৌবাহিনীর তরফে রয়েছে যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন। বায়ুসেনার তরফে পি-৮১ নজরদারি বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। অনেক দূর থেকে নজরদারিতে সক্ষম এই বিমানের ক্যামেরাতেই ধরা পড়েছে নৌ মহড়ায় পাকিস্তানের অন্তত সাত-আটটি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে উত্তর আরব সাগরে।

গোয়েন্দা সতর্কতা ছিল, বালাকোটের বদলা নিতে জল-স্থল-আকাশ যে কোনও জায়গা দিয়েই পাক সেনার প্রত্যক্ষ মদতে হামলা চালাতে পারে জঙ্গিরা। সেই মতো ‘ট্রপেক্স-২০১৯’ মহড়া চলাকালীনই যুদ্ধবিমান বহনে সক্ষম রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য এবং পরমাণু অস্ত্রবহনে সক্ষম আইএনএস অরিহন্ত এবং আইএনএস চক্রকে উত্তর আরব সাগরে মোতায়েন করে ভারত। লক্ষ্য ছিল মাকরান উপকূলের ধারকাছে যেন পাক নৌবাহিনী ঘেঁষতে না পারে। ৫ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীর থেকে বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহার করে নিয়ে কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে আরও বেকায়দায় ফেলে ভারত। তাই হামলার আশঙ্কাটা আরও বেশি। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক শীর্ষ পদাধিকারী বলেন, ‘সাধারণত এই ধরনের মহড়া থেকে বিশেষ চিন্তার কিছু থাকে না। কিন্তু আমরা কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছি না।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *