Singer Paul Robeson was an American bass baritone concert artist and stage and film actor

Singer Paul Robeson: গায়ক পল রবসনের জন্মদিন

কলকাতা

বিংশ শতাব্দীর আমেরিকায় অন্যতম জনপ্রিয় গায়ক ছিলেন পল রবসন (Singer Paul Robeson)। কিন্তু তার ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং আফ্রিকান …

‘ওরা আমাদের গান গাইতে দেয়না
নিগ্রো ভাই আমার পল রবসন
আমরা আমাদের গান গাই, ওরা চায়না।
ওরা ভয় পেয়েছে রবসন
আমাদের রক্ত চোখকে ভয় পেয়েছে
আমাদের দৃপ্ত কণ্ঠে ভয় পেয়েছে
আমাদের কুচকাওয়াজে ভয় পেয়েছে রবসন
ওরা বিপ্লবের ডাঙ্গরুতে ভয় পেয়েছে রবসন।’
– বিংশ শতাব্দীর আমেরিকায় অন্যতম জনপ্রিয় গায়ক ছিলেন পল রবসন (Singer Paul Robeson)। কিন্তু তার ব্যতিক্রমী রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং আফ্রিকান আমেরিকানদের প্রতি সমালোচনার কারণে মার্কিন কর্তৃপক্ষের তিনি বিরাগভাজন হয়েছিলেন। ১৮৯৮ সালের ৯ই এপ্রিল তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুলজীবনেই পড়ালেখার সাথে সাথে খেলাধুলা, অভিনয় এবং গান গাইতে শুরু করেন। একজন পেশাদার ফুটবল খেলোয়াড়ও ছিলেন তিনি। বহুমাত্রিক প্রতিভাময় শিল্পী হিসেবে মঞ্চনাটক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমে দক্ষ অভিনেতা হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ১৯২৫-১৯৪২ এই সময়ে তিনি ১২টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

Singer Paul Robeson was an American bass baritone concert artist and stage and film actor
Singer Paul Robeson was an American bass baritone concert artist and stage and film actor

তার কণ্ঠে ছিলো কালো মানুষের মুক্তির কথা, উপনিবেশ উচ্ছেদের কথা, সমতা ও মানবাধিকারের কথা, সর্বোপরি মানবমুক্তির কথা। পল রবসন মানবদরদী গানের জন্য যতটা খ্যাত, জীবদ্দশায় তিনি তার চেয়েও বেশি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য। তিনি ছিলেন আমেরিকান কর্তৃপক্ষের কালো তালিকায়। ১৯৩০এর দশকের একটা বড় সময় তিনি কাটিয়েছিলেন ইংল্যান্ডে। সেই সময় তিনি সারা ইউরোপ ঘুরে বেড়াতেন এবং প্রতি বছর আমেরিকাতেও ফেরত যেতেন সঙ্গীতানুষ্ঠানে অংশ নিতে এবং সেখানে তার যোগাযোগগুলো বজায় রাখতে। তার চেহারা এবং কন্ঠের জন্য গায়ক ও অভিনেতা হিসাবে খ্যাতি ছিল তরুণ পল রবসন। সমাজে বৈষম্যের প্রকট চেহারা তাকে হতবাক করে তোলে। এ বিষয়ে স্পষ্ট কথা বলতে তিনি কখনই ভয় পান নি। তিনি ২০টি ভাষা জানতেন এবং ১২টি ভাষায় ছিলেন পারদর্শী। তাঁর কণ্ঠে চীনা, রুশ, ইংলিশ বা জার্মান ভাষায় গাওয়া অনেক গান রয়েছে।

হলিউড অভিনেতা মার্লোন ব্র্যান্ডো মানেই বিশেষ কিছু – আরও জানতে ক্লিক করুন …

১৯৩০-এর দশকে তিনি যখন লন্ডনে ছিলেন, তখন তিনি ঔপনিবেশিকতার বন্ধন থেকে মুক্তির সংগ্রামের মূল প্রবক্তা হয়ে ওঠেন । আফ্রিকান আমেরিকানদের তখনকার অবস্থার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে উপনিবেশ গড়ে তুলে মানুষকে একইভাবে দাসত্বের শৃঙ্খলে বাঁধা হচ্ছে। আমেরিকার সরকার ১৯৫০ সালে তাঁর পাসপোর্ট কেড়ে নেয় এবং ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত এফবিআই এর কড়া নজরদারি অবস্থায় অন্তরীণ থাকেন তিনি। আমেরিকার ইতিহাসে নজিরবিহীন নজরদারি রাখা হয়েছিলো এই গণমানুষের শিল্পীর ওপর। বামপন্থিদের দলভুক্ত হয়ে সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের কারণে তাঁকে ২০ বছর সাজা ভোগ করতে হয়। ১৯৭৬ সালের ২৩শে জানুয়ারি তিনি মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে মারা যান।

গায়ক-গীতিকার-সুরকার এলটন জন – আরও জানতে ক্লিক করুন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *