TMC Beat BJP in EIMPA Election 2019

EIMPA Election: বিজেপিকে সরিয়ে নির্বাচনে জয় তৃণমূলের

কলকাতা

এদিন ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশন অর্থাৎ ইম্পা’র নির্বাচন (EIMPA Election) ছিল। আর তাতেই অনেকটা বেসামাল হয়েছে গেরুয়া দল।

সিনেমা পাড়া নিয়ে একটা চাপানউতোর ছিলই। কে কোন রং নিয়ে এগিয়ে যাবে তা দেখতে সবাই ব্যস্ত। বেশ কয়েক মাস ধরেই টলিপাড়ায় নিজের জায়গা করার চেষ্টা করছে পদ্ম শিবির। একের পর এক সংগঠন খুলে চাপের মুখে ফেলেছে তৃণমূলকে। এই জটিল পরিস্থিতিতেই এদিন ইস্টার্ন ইন্ডিয়া মোশন পিকচার অ্যাসোসিয়েশন অর্থাৎ ইম্পা’র নির্বাচন (EIMPA Election) ছিল। আর তাতেই অনেকটা বেসামাল হয়েছে গেরুয়া দল। খুবা ভালো জয় পেল তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর উচ্ছ্বসিত তারা। নির্বাচনের পর কলাকুশলী ও টেকনিশিয়ানদের ফোরামের দায়িত্ব পেল তৃণমূল। মোট ২১টি আসনের প্রতিটিতেই নিজেদের জয় কায়েম রাখতে পেরেছে টিএমসি। যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসও আজ বুধবার উপস্থিত ছিলেন ইম্পায়। সদস্যদের সঙ্গে জয়ের আনন্দ ভাগ করেন তিনি।

আসলে ইম্পার ঘোষণা করা ফলাফল অনুযায়ী, চলচ্চিত্র শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কলাকুশলী ও টেকনিশিয়ানদের ফোরামের দায়িত্ব পেল তৃণমূল কংগ্রেস। বুধবার বি এন সরকার সরণির ইম্পা হাউজে সকাল থেকেই নির্বাচন নিয়ে টানটান উত্তেজনা ছিল। টলিপাড়ায় তৃণমূলের এইরকম সাফল্যে যারপরনাই উচ্ছ্বসিত তৃণমূল সমর্থক কলাকুশলী তথা শিল্পীরা। উল্লেখ্য, দিন কয়েক আগে অবধি টলিপাড়ায় বিজেপি সমর্থকদের রমরমা দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন এবার হয়তো রাজ্যের বিনোদন ইন্ডাস্ট্রিতেও বড়সড় থাবা বসাতে চলেছে বিজেপি। ইম্পা সংগঠনের তরফে প্রেসিডেন্ট প্রিয়া সেনগুপ্ত জানান, “আমরা এই জয়ে খুব খুশি। মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস আমাদের পাশে রয়েছেন। সর্বোপরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের সঙ্গে রয়েছেন।”

রাজ্যের সিনেমা হল নিয়ে কিছুদিন আগে চাপে পড়েছিল ইম্পা। বারবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন সত্ত্বেও বাড়ানো হচ্ছিল না সার্ভিস চার্জ। অবশেষে সেই সমস্যার সমাধানও হয়েছিল। যেভাবে বিজেপি বনাম তৃণমূলের ধুন্ধুমার শুরু হয়েছিল টলিগঞ্জে তাতে ভাবা হয়েছিল সাঁড়াশি আক্রমনের পথে নামছে বিজেপি। টেকনিশিয়ানদের বকেয়া টাকা না দিতে পারায় তারা চাপ সৃষ্টি করেছিল গেরুয়া শিবির। খুব অল্প দিনের মধ্যেই গ্ল্যামার ইন্ডাস্ট্রি থেকে অনেক তারকারা যোগ দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরে। আর এতে অনুমান ছিল, যে এবার হয়তো টলিউডে তৃণমূলকে সরিয়ে সংগঠনগুলি দখল করে নেবে বিজেপি। কিন্তু কোনো আশার আলো দেখতে পেলো না বিজেপি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *