TMC complaint against West Bengal governor Jagdeep Dhankhar to President Kovind

রাজ্যপাল ধনখড়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির কাছে তৃণমূল

কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ

স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়েছে, সাংবিধানিক সীমারেখা একটানা লঙ্ঘন করছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (West Bengal governor)।

নিজস্ব সংবাদদাতা: এই চিত্র পশ্চিমবঙ্গ এর আগে দেখে নি। রাজ্যের রাজ্যপালের অপসারণ চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে যাচ্ছে তৃণমূল সরকার। জগদীপ ধনখড়ের প্রত্যাহার দাবি করে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে স্মারকলিপি দিল তৃণমূল কংগ্রেস। ঠিক ৬ পাতার স্মারকলিপিতে দাবি করা হয়েছে, সাংবিধানিক সীমারেখা একটানা লঙ্ঘন করছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (West Bengal governor)। তিনি একেবারেই মানছেন না সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা। সংবিধান অনুযায়ী কাজ করতে তিনি ব্যর্থ।

অনৈতিক ভাবে রাজ্যের এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করছেন। তিনি রাজ্যের বিরোধীদের উৎসাহ দেওয়ার কাজ করছেন। একই সাথে সুকৌশলে রাজ্যপাল দিল্লির নির্দেশে কাজ করে চলছেন।

TMC complaint against West Bengal governor Jagdeep Dhankhar to President Kovind
TMC complaint against West Bengal governor Jagdeep Dhankhar to President Kovind

বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে ৩৫৬ ধারা জারি করে সরকার ভেঙে দেওয়ার অঙ্ক সাজিয়েছিল বিজেপি। ঠিক এর সাথে ১৫৬-র ১ উপধারা প্রয়োগ করে জগদীপ ধনখড়কে রাজ্যপাল পদ থেকে সরানোর দাবি জানালো তৃণমূল। রাজ্যপালের সাথে নবান্নের সংঘাত একেবারে রাইসিনা হিলে পৌঁছালো। রামনাথ কোবিন্দের কাছে স্মারক লিপি জমা দিয়ে জানানো হলো, রাজ্যপাল নিয়ম-কানুনকে সরিয়ে রেখে প্রকাশ্যে রাজ্যের সমালোচনা করে চলেছেন। তাই এই মুহূর্তে তিনি এই পদে থাকার যোগ্য নন।

[ আরো পড়ুন ] রাজ্যপালের পর আজ মহারাজ অমিত শাহের সাথে

সেই স্মারকলিপিতে লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মুখ্য সচেতক কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেপুটি নেত্রী কাকলি ঘোষ দস্তিদার, রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং মুখ্য সচেতক সুখেন্দুশেখর রায় স্বাক্ষর করেন।

[ আরো পড়ুন ] শীতের শহরের নতুন ঠিকানা নিউ টাউন কফি হাউস

সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশে বলা আছে, রাজ্য সরকারের কাজকর্মে রাজ্যপালের সহযোগিতার কথা। এই সাম্মানিক পদে থেকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করা যায় না। কিন্তু এখানে একেবারেই নাকি উল্টোটা হচ্ছে। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে তৃণমূল। এই রাজ্যে রাজ্যপাল হয়ে আসার পর থেকেই সংঘাতের আবহ তৈরী হয়। একাধিক বিষয়ে ব্যাপক সমস্যা দেখা গেছে। তবে এই বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের কোনও প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায় নি। কিন্তু নির্বাচনের ঠিক আগে, রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি এই সংঘাতে অন্য মাত্রা যোগ করল বলে অনেকেই মনে করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *