UP CM Yogi Asking Rs 11 From Every Household For Temple

UP CM Yogi: রাম মন্দিরের জন্য ১১ টাকা ও একটি পাথর চাইছেন

কলকাতা

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (UP CM Yogi) আদিত্যনাথ সবদিক সামলাতে তৈরী। এই মন্দিরকে ভুবন সেরা করতে তিনি প্রস্তুত।

মঙ্গলে বা চাঁদে নামার ইচ্ছা থাকলেও আমাদের আগে মন্দির বানাতে হবে! সুপ্রিমকোর্ট কয়েক দশকের ধর্মীয় বিতর্ক থামিয়েছে। অযোধ্যার বিতর্কিত জমিতে রামমন্দির তৈরির পক্ষে রায় দিয়েছে শীর্ষ আদালত। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী (UP CM Yogi) আদিত্যনাথ সবদিক সামলাতে তৈরী। এই মন্দিরকে ভুবন সেরা করতে তিনি প্রস্তুত। ভিএইচপি–র কার্যকরী সভাপতি অলোক কুমার বলেন, ‘সোমপুরার নকশা মতোই মন্দির নির্মাণ হবে বলে আমরা আশা করি।’ সবাইকে পাশে চাইছেন আদিত্য যোগী। তিনি অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের জন্য প্রতিটি পরিবারের থেকে ১১ টাকা ও একটি পাথর চাইলেন।

লক্ষ লক্ষ পাথর কেটে, তার উপর খোদাই করে অযোধ্যার ওয়ার্কশপে সেই কাজ চলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ভিএইপি-র এই নকশা এবং নির্মাণশৈলী মেনে মন্দির তৈরি হলে লেগে যেতে পারে আরও পাঁচ বছর। অযোধ্যার করসেবকপুরমে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কার্যালয় থেকে এক কিলোমিটার দূরে এবং বিতর্কিত রাম জন্মভূমির মূল জমি থেকে তিন কিলোমিটার দূরে গড়ে ওঠে এই ওয়ার্কশপ। সেখানেই শুরু হয় রামমন্দিরের কাঠামো তৈরির কাজ। যোগী জানান, ‘‌৫০০ বছরের পুরনো বিবাদ মিটেছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রচেষ্টায়। কংগ্রেস, আরজেডি, সিপিআই–এমএল সহ অন্যান্য বিরোধী দল এই সমস্যার সমাধান চায়নি। খুব শীঘ্রই অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি হবে। প্রতিটি পরিবার রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ১১ টাকা ও একটি পাথর দান করুন।’‌

এই মন্দির তৈরির জন্য অযোধ্যায় ‘রাম জন্মভূমি ন্যাস’-এর কর্মশালায় প্রথম পাথর এসেছিল ১৯৮৯ সালে, রাজস্থানের ভরতপুরের বাঁসিপাহাড় থেকে। ভিএইচপি নেতা শরদ শর্মা জানান, ‘‘পাথর কেটে যে অংশগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি মূল মন্দির চত্বরে আনতেই লেগে যাবে অন্তত ছ’মাস। তার পরেও পুরো মন্দির তৈরিতে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লাগবেই।’’আদিত্যনাথ বলেন, ‘‌আমি এমন রাজ্য থেকে এসেছি, যেখানে রামরাজ্য প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ সরকার সমাজের সকল স্তরের মানুষকে একই চোখে দেখেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রীও ঠিক এমনই।’‌ ১২৮ ফুট উঁচু সুবিশাল দোতলা মন্দিরের পুরোটাই তৈরি হবে গোলাপি বেলেপাথর দিয়ে। মন্দিরের মোট উচ্চতা হবে ১২৮ ফুট, লম্বা ২৬৫ ফুট ৫ ইঞ্চি এবং চওড়া ১৪০ ফুট। এর মধ্যে গম্বুজ ও ভিত্তিপ্রস্তর বাদ দিয়ে একতলা হবে ১৮ ফুট উঁচু, দোতলা ১৫ ফুট ৯ ইঞ্চি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *