Ward Resarvation List is Ready for KMC Poll 2020

KMC Poll: কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের ওয়ার্ড সংরক্ষণ চূড়ান্ত

কলকাতা

এই তালিকায় কলকাতা (KMC Poll) সহ সব পুরসভাতেই অনেক হেভিওয়েটের আসন সংরক্ষিত হয়ে গিয়েছে। কোনও আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত …

সামনেই আবার নির্বাচন। বাজেট পেশ শেষ। রাজ্যের ৯৩টি পুরসভায় ওয়ার্ড সংরক্ষণের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশিত হল। আর এই তালিকায় কলকাতা (KMC Poll) সহ সব পুরসভাতেই অনেক হেভিওয়েটের আসন সংরক্ষিত হয়ে গিয়েছে। কোনও আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হয়েছে, আবার কোনও আসন তফসিলি জাতি বা উপজাতিদের জন্য। অবশ্য তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, এভাবে যাঁরা আসন হারালেন, তাঁদের আশপাশের ওয়ার্ডে পুনর্বাসন দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে কার কার আসন সংরক্ষণের কোপ পড়ল, তা নিয়ে দিনভর রাজ্য রাজনীতি চাপে ছিল।

সংরক্ষণের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। একমাত্র শিলিগুড়ি পুরসভার ক্ষেত্রে আগের কয়েকটি ভুল সংশোধন করা হয়েছে। এই পুরসভার জনসংখ্যার তথ্যে ছাপার ভুল থেকেই বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। গত ১৭ই জানুয়ারি কলকাতা-সহ ৯৩টি পুরসভার ওয়ার্ড সংরক্ষণের খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। সেই খসড়ার উপরে দাবি এবং আপত্তি নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে শুনানি করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন। শুনানিতে সব আপত্তিই বাতিল হয়ে যায়।

এই আসন সংরক্ষণের ফলে গোটা রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের বহু চেয়ারম্যান, মেয়র, মেয়র পারিষদ, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যান পারিষদ সমস্যায় পড়েছেন। অনেক ‘ওজনদার’ কাউন্সিলারের ওয়ার্ড সংরক্ষণের গেরোয় পড়েছে। কলকাতা পুরসভায় বাদ পড়েছেন চার মেয়র পারিষদ। হেভিওয়েটদের মধ্যে সংরক্ষণের কোপে পড়েছেন কাঁথি পুরসভায় তমলুকের সাংসদ তথা কাউন্সিলার দিব্যেন্দু অধিকারী, খড়্গপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তথা নবনির্বাচিত বিধায়ক প্রদীপ সরকার, উত্তরপাড়া পুরসভার চেয়ারম্যান দিলীপ যাদব, বৈদ্যবাটির চেয়ারম্যান অরিন্দম গুঁইন, বাঁকুড়ার বিষ্ণুপর পুরসভার চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন মন্ত্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। একইভাবে আসানসোলের মেয়র তথা বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি ও চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় সংরক্ষণের জন্য নিজেদের ওয়ার্ডে দাঁড়াতে পারবেন না।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, খসড়া তালিকা প্রকাশের পর সংরক্ষণের ‘ত্রুটি’ সংশোধনে প্রায় ৩৫০ অভিযোগ জমা পড়ে বিভিন্ন জেলা থেকে। শুধু কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রে জমা পড়ে ২২টি অভিযোগ। এ ছাড়াও কলকাতার পার্শ্ববর্তী মহেশতলা, জয়নগর-মজিলপুর, রাজপুর-সোনারপুর, বারাসত পুরসভা নিয়ে আরও প্রায় ২০টি অভিযোগ আসে। এই সব অভিযোগের সিংহভাগই একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের কর্মীদের। মোট ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হয়েছে ৪৮টি। তার মধ্যে আবার ৩৩, ৭৮ এবং ১২৭ নম্বর ওয়ার্ড তফসিলি মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। ৫৮, ১০৭, ১১০, ১৪১ এবং ১৪২ নম্বর ওয়ার্ড সংরক্ষিত হয়েছে সাধারণ তফসিলির জন্য। এবার শুরু মানুষের কাছে পৌঁছনোর দৌড়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *