west-bengal-rasgulla-gi-tag

Rasgulla GI Tag: ওড়িশাকে সরিয়ে রসগোল্লা হলো বাংলার

কলকাতা

মিষ্টি পৌঁছেছিল আদালতে। ছানা আর চিনি কিনা উঠলো কাঠগড়ায়! ওড়িশার দাবি খারিজ করে দিল জিআই রেজিস্ট্রেশন (Rasgulla GI Tag) অফিস।

মিষ্টি পৌঁছেছিল আদালতে। ছানা আর চিনি কিনা উঠলো কাঠগড়ায়! ওড়িশার দাবি খারিজ করে দিল জিআই রেজিস্ট্রেশন (Rasgulla GI Tag) অফিস। আসলে প্রয়োজনের নির্দিষ্ট তথ্য দিতে না পারায় ওড়িশার তথ্য খারিজ করে দেওয়া হয়। আর সেই দাবি খারিজ করে রসোগোল্লায় জয়ী হলো বাংলা। ২০১৭ সালে বাংলার রসগোল্লাকে জিআই রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গ এই বিশেষ শংসাপত্র পাওয়ার পরই ওড়িশা এই মিষ্টির দাবিদার হিসেবে সমস্ত কাগজপত্র জমা দেয় চেন্নাইয়ের জিআই রেজিস্ট্রি সংস্থার দফতরে। অবশেষে বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ের জিআই আদলতের তরফে চূড়ান্ত রায়ে জানিয়ে দেওয়া হল, রসগোল্লা পশ্চিমবঙ্গের।

রসগোল্লার মালিকানা অনেক দিন আগেই দিয়েছে জিওগ্রাফিকাল ইন্ডিকেশন (GI) ট্যাগ। কিন্তু তাতে একেবারেই সন্তুষ্ট হয়নি প্রতিবেশী রাজ্য ওডিশা। পশ্চিমবঙ্গ এই বিশেষ শংসাপত্র পাওয়ার পর, ওডিশার মিষ্টির দাবিদার হিসেবে প্রযোজনীয় সমস্ত কাগজপত্র জমা দেয় চেন্নাইয়ের জিআই রেজিস্ট্রি সংস্থার দফতরে। কিন্তু বিধি বাম। ওড়িশার পাতে পৌছালো চিরতার জল। চেন্নাইয়ের জিআই আদলেতের তরফে আজ বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত রায়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, রসগোল্লা পশ্চিমবঙ্গের। ফলে ওড়িশার রসগোল্লা না কি বাংলার সেই বিতর্ক মিটলো এই চূড়ান্ত রায়ে। সুগার গোল্লায় যাক — রসোগোল্লায় ভরে উঠুক আমাদের আতিথিয়তার সহবৎ।

এই বাংলায় ১৮৬৪ সালে নবীনচন্দ্র দাস প্রথম রসগোল্লা তৈরি করতে শুরু করেন। ১৮৬৮ সালে বর্তমান রসগোল্লায় আত্মপ্রকাশ। আর ওড়িশায় রসগোল্লার জন্মের দাবি অপেক্ষাকৃত নতুন। দু’রাজ্যের রসগোল্লার আকৃতি ও চরিত্রে কিছু অমিলও আছে। তাই ওডিশার দাবি ধোপে টেকে না। জানিয়েছেন রসগোল্লা বিশেষজ্ঞরা।চেন্নাইয়ের জিআই রেজিস্ট্রি সংস্থার দেওয়া এই বিশেষ শংসাপত্র গ্রাহ্য হবে ২০২৮-এর ২২শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এই শংসাপত্রের জোরে মিষ্টিটি ওড়িশার আঞ্চলিক মিষ্টি হিসেবে চিহ্নিত হয়। এরপরই আবার জিআই আদালতের দ্বারস্থ হয় উভয় রাজ্য। আর সেখানেই জয়ী আমাদের মিষ্টির পীঠস্থান বাংলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *