Overflowing river in several districts of West Bengal due to heavy rain causes tension

রাজ্যে ভাঙল বাঁধ – ফুঁসছে ময়ূরাক্ষী-মহানন্দা-কালিন্দী

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের খবর

ব্যাপক হরে জল (Overflowing river) বাড়ছে ময়ূরাক্ষী নদীতে। এর ফলে আটকে পড়েছেন কমবেশি ১২ টি গ্রামের মানুষ। বীরভূমের ময়ুরাক্ষী নদীর তীরে …

নিজস্ব সংবাদদাতা: সবে বর্ষার শুরু। তাতেই বিপদের মেঘ ঘনিয়ে এসেছে বাংলায়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ চরম সমস্যাতে ফেলছে মানুষকে। ব্যাপক হরে জল (Overflowing river) বাড়ছে ময়ূরাক্ষী নদীতে। এর ফলে আটকে পড়েছেন কমবেশি ১২ টি গ্রামের মানুষ। বীরভূমের ময়ুরাক্ষী নদীর তীরে বিপদের মধ্যে দিন গুনছে প্রায় ১২টি গ্রামের অগণিত মানুষ।

ময়ূরাক্ষীর দাপটে নরসিংহপুর, বেহিরা, ভেজিনা, দুমনি, গোবিন্দপুর, বরাম, কাটুনিয়া, কুলতোর সহ বেশ কিছু গ্রামের যোগাযোগ বন্ধ হয়েছে। সেখানকার যাতায়াতের একমাত্র ভরসা নৌকা চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

Overflowing river in several districts of West Bengal due to heavy rain causes tension
Overflowing river in several districts of West Bengal due to heavy rain causes tension

এখানে সেতু নির্মাণের দাবি বহুদিনের। প্রত্যেক বছর বর্ষা আসলেই ময়ূরাক্ষীতে জল বাড়ে ও সমস্যায় পড়তে হয় অগণিত সাধারণ মানুষদের। এর সাথে মালদার ফুলহারের জল বাড়ছে। জলের চাপে ভেঙে গিয়েছে কার্যকর বাঁধ।

[ আরো পড়ুন ] বেসরকারি বাসে ভর্তুকি – করোনার রেট বাঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী

মালদা জেলায় রতুয়া ব্লকের সূর্যাপুরে জেলা সেচ দফতর বাঁধ তৈরির কাজ শুরু করে। প্রায় এক কোটি টাকা খরচ করে এই বাঁধ তৈরি হচ্ছিল। আজ সকালে ফুলহার নদীর জলের চাপে সেই নির্মীয়মাণ বাঁধ ভেসে যায়। আতঙ্ক তৈরী হয় গোটা নদী এলাকায়।

[ আরো পড়ুন ] রাজ্যে সংখ্যালঘু উন্নয়নে নতুন ৬০৮টি প্রকল্প আনলেন মুখ্যমন্ত্রী

সিমেন্টের সাথে ভেঙে যাচ্ছে কাঠের সেতু। করোনা আবহে পরিত্রাণে আশা খুব কম। পীরপুর গ্রামে কালিন্দী নদীর উপর নির্মীয়মাণ শাল কাঠের সেতুও ভেঙে গিয়েছে। জানা যাচ্ছে, অতি নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে বর্ষার সময় কাজ করার জন্যই এই বিপদ হযেছে। এর সাথে মহানন্দা ও কালিন্দী নদীর জলও বেড়েছে।

উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টির ফলে নদীগুলিতে জলস্ফীতি ব্যাপক হরে ঘটেছে। সেই অতিরিক্ত জলফুলহার ও মহানন্দা দিয়ে বইছে। আগামীতে আরও মস্ত বিপদের সম্ভাবনা দেশছে গ্রামবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *