Buses in green zone will stay off roads as there is no profit

Buses in green zone: গ্রিন জোনে বাস চালাবে না মালিক সংগঠন

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের খবর

গ্রিন জোনে বাস (Buses in green zone) চালানোর অনুমতি দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সরকার অনুমতি দিলেও, সার্বিক পরিষেবা দিতে এখনই রাজি নয় …

দেশের লকডাউনের তৃতীয় পর্যায়ে অনেক ক্ষেত্রে নিয়মের শিথিলতা আনা হয়েছে। পরিস্থিতি বুঝে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সবটা মানা অসম্ভব হয়ে উঠেছে। আসলে গ্রিন জোনে বাস (Buses in green zone) চালানোর অনুমতি দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সরকার অনুমতি দিলেও, সার্বিক পরিষেবা দিতে এখনই রাজি নয় রাজ্যের বাসমালিক সংগঠনগুলি। বাসে ২০ জন যাত্রী নিয়ে গ্রিন জোনের রাস্তায় বাস নামবে এমন ঘোষণা করেছিল রাজ্য। যাত্রীদের পড়তে হবে মাস্ক। বাস নিয়ম করে স্যানিটাইজ করতে হবে।

দেশের শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ, কোভিডে মৃত্যুর হার ১২.৮% – আরও জানতে ক্লিক করুন …

বাস মালিকদর বক্তব্য:

আমাদের রাজ্যে বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও দুই দিনাজপুর, এই আটটি জেলাকে গ্রিন জোন হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু পথে একটাও বাসের দেখা পাওয়া যায় নি। বাস মালিকদর বক্তব্য মাত্র ২০ জন যাত্রী নিয়ে বাস চালানো হয়, তাহলে জ্বালানির খরচ উঠবে না। তাছাড়া বাসের ওই ২০ জন যাত্রীর মধ্যেই কারোর করোনা পজিটিভ হয়ে থাকে, তখন বাকি যাত্রী ও বাস কর্মীদের দায়িত্ব কে নেবে?
একটি বাসে দৈনিক ইএমআই ১২০০ টাকা থেকে ১৭০০ টাকা দিতে হয়, সঙ্গে আরও খরচ থাকে।

কেন্দ্রীয় দল আবার আসছেআরও জানতে ক্লিক করুন …

সরকার নিজেদের বাস চালাতে পারে:

তাই এই পরিস্থিতিতে বাস চললে আরও ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। যেখানে রেলের মতো গণপরিবহণ বন্ধ। যাত্রী রাস্তায় খুব কম। রেশনে তো বাসের তেল দিচ্ছে না। বোলপুর ও কীর্ণাহার, দুটি বড় বাস স্ট্যান্ড একেবারে ফাঁকা। বাঁকুড়াতে সকালে বাস ধরতে এসে ফিরে যান বেশ কয়েকজন যাত্রী। পুরুলিয়া সংলগ্ন ঝাড়খণ্ডের একাধিক এলাকায় রেড অ্যালার্ট জারি হয়েছে। তাই এখানে গাড়ি বেপাত্তা। একমাত্র সরকার নিজেদের বাস চালাতে পারে। তাদের পরিকাঠামো আছে আর নেই লোকসানের ভয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *