Locust Attack in West Bengal Update

ঝাড়খণ্ডে পৌঁছেছে পঙ্গপালের দল, এবার বাংলায় প্রবেশ

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের খবর

আফ্রিকা ও পাকিস্তান কাঁপিয়ে এবার বাংলায় বিভীষিকা (Locust Attack)। কপালে চিন্তার ভাঁজ বাংলার কৃষকদের, এমনকি পরিবেশবিদরাও চিন্তিত।

করোনাভাইরাস আর আম্ফানের প্রকোপে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা এখন প্রায় বিদ্ধস্ত। প্রকৃতি যখন প্রবল ভাবে রুষ্ট, ঠিক তখনি আসতে চলেছে আর এক বিভীষিকা । কবির কথায় ইটের পর ইট, তারই মাঝে কীট । আফ্রিকা ও পাকিস্তান কাঁপিয়ে এবার বাংলায় পঙ্গপাল বিভীষিকা (Locust Attack)। কপালে চিন্তার ভাঁজ বাংলার কৃষকদের, এমনকি পরিবেশবিদরাও চিন্তিত।

মন্ত্রী সুজিত বসুর সঙ্গে একদিনে ৩৪৪ করোনা আক্রান্ত বাংলায় – আরও জানতে ক্লিক করুন …

রাজস্থান থেকে শুরু করে উত্তরপ্রদেশ, বিহার পেরিয়ে পঙ্গপালের দল এখন ঝাড়খণ্ডে অবস্থান করছে । সুতরাং, তাদের পরবর্তী লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গ । এমনটাই দাবি করলেন বাংলার পরিবেশবিদরা । যেকোনো দিন মজুর কৃষকের কাছে সবচেয়ে বৃহৎ আতঙ্ক হয়তো এই পঙ্গপাল নামক পতঙ্গটি। এরা সবসময় দল বেঁধেই হানা দেয়। আর এক একটি দলে থাকে লক্ষাধিক পঙ্গপাল। চোখের নিমেষে এরা ফসলভর্তি মাঠ একেবারে নিঃশেষ করে দিতে পারে।

Locust Attack in West Bengal Update
Locust Attack in West Bengal Update

সেই ১৯৬১ সালের পর পশ্চিমবঙ্গে পঙ্গপাল আক্রমণের এমন ঘটনা ঘটেনি। আর ঠিক তাই এই দুরন্ত পতঙ্গদের সামলাতে চিন্তিত প্রশাসনও। কারণ তারা যে এর জন্য প্রস্তুত নয় । পঙ্গপাল কিন্তু শুধু মাঠে নয়, ঢুকে যাবে আপনার ঘরেও । আপনাকে পালাতেও হতে পারে বাসযোগ্য স্থান ছেড়ে । আলো পেলে তো কথাই নেই, বেড়ে যাবে তান্ডব । এর আগে পাকিস্থান চীন থেকে একধরণের বিশেষ হাঁস আনিয়েছিলো, এই পঙ্গপাল প্রতিরোধে ।

করোনার নিরপেক্ষ তদন্ত – একসাথে ভারত-সহ ৬২টি দেশ – আরও জানতে ক্লিক করুন …

এপ্রিল মাসে আফ্রিকার পশ্চিমে হানা দেওয়া এই নতুন প্রজাতির পঙ্গপাল আগের থেকেও অনেক বেশি আতঙ্কের। মাত্র একমাসের মধ্যেই আফ্রিকা পেরিয়ে পাকিস্তানের বেলুচিস্তান হয়ে এই বাহিনী ঢুকে পড়েছে ভারতবর্ষের জমিতে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা অবশ্য হয়েছে রাজস্থানের। উত্তর ভারতের কৃষিজমির অবস্থাও একেবারে শোচনীয় করে ছেড়েছে ।

দেশের পতঙ্গ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক একটি পঙ্গপাল ১০০ সন্তানের জন্ম দেয়। তাই একশ থেকে হাজার এবং তারপর লক্ষ্যে পৌঁছতে খুব কম সময় নেয়। একবার চাষের জমি ঘিরে ফেললে তাদের প্রতিরোধ করা এককথায় অসম্ভব। কারণ আক্রমণ করতে পারে মানুষকেও ।একমাত্র উপায় প্রচুর পরিমাণে কীটনাশক এবং অ্যানাস্থেটিক ওষুধ স্প্রে করা।

অনেকের মতে এর ফলে ফসলেরও যথেষ্ট ক্ষতি হয়। তাই রাসায়নিক ব্যবস্থা না নিয়ে যান্ত্রিক পদ্ধতির উপরেই আস্থা রাখতে চাইছেন কৃষি ও পতঙ্গ বিশেষজ্ঞরা। এবার বাংলার বুকে আবির্ভাব ঘটবে পতঙ্গ জামানার । এখন দেখার এবিষয়ে অনভিজ্ঞ সরকার ঠিক কি পদক্ষেপ নেয় ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *