Mayor Ashok Bhattacharya appointed as chief administrator of Siliguri Municipal Corporation

শিলিগুড়িতে পুরনিগমের মুখ্য প্রশাসক অশোক ভট্টাচার্য

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের খবর

শিলিগুড়ি পুরসভার প্রশাসক হচ্ছেন মেয়র অশোক ভট্টাচার্য (Mayor Ashok Bhattacharya)। আগামী ১৭ই মে এই পুরসভার বামফ্রন্ট পরিচালিত বোর্ডের …

একেবারেই অন্য সমীকরণ। অচেনা ছকে চেনা অঙ্ক। বাংলায় হালকা লালের আভা দেখা গেলো। শিলিগুড়ি পুরসভার প্রশাসক হচ্ছেন মেয়র অশোক ভট্টাচার্য (Mayor Ashok Bhattacharya)। আগামী ১৭ই মে এই পুরসভার বামফ্রন্ট পরিচালিত বোর্ডের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। কলকাতা পুরসভার মডেলে অশোকবাবুকেই প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান হিসাবে মনোনীত করার সিদ্ধান্ত নিলো নবান্ন। জানা যাচ্ছে, কয়েকদিনের মধ্যেই রাজ্য পুর-নগোরন্নয়ন দপ্তর থেকে এ ব্যাপারে বিজ্ঞপ্তি জারি হবে। আসলে বিরোধী দখলে থাকা শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়রকে প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান করে নজির সৃষ্টি করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্যের খাদ্যসচিবের পর স্বাস্থ্যসচিব বদলআরও জানতে ক্লিক করুন …

অশোক ভট্টাচার্যের দাবি:

এই মাসেই শেষ হতে বসা রাজ্যের আরও ৮৫টি পুরসভায় প্রশাসক বসানোর এক প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বে থাকা পুরসভাগুলির প্রশাসক পদে বর্তমান চেয়ারম্যান ও কাউন্সিলরদেরই কাজের দক্ষতার জন্য বসানোর কথা ভাবছেন মুখ্যমন্ত্রী। শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্যের দাবি করেছিলেন, “বাকি পুরসভারগুলোর ক্ষেত্রে একই ব্যবস্থা হওয়া উচিৎ। কিন্তু সেটা এখনও সরকার স্পষ্ট করেন নি।”

কলকাতায় ধর্মের উর্দ্ধে মানবিকতা, মসজিদে কোয়ারান্টাইন সেন্টার – আরও জানতে ক্লিক করুন …

পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানান:

এদিকে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানান, “বিপদের করোনার জন্য দেশে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি চলছে। সকল মানুষ এখন নিজের জীবন বাঁচাতে ব্যস্ত। সেই কারণেই এখন রাজনীতি করার সময় নয়, যাঁরা করছেন, ভুল করছেন। রাজ্যের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের বিধায়ক ও বামফ্রন্ট পুরবোর্ডের মেয়রকেই চেয়ারম্যান করে প্রশাসক বোর্ড গড়ার নির্দেশ দিয়েছেন।” তবে রাজ্য সরকার বিরোধী শিবির পরিচালিত এই পুরসভার মেয়রকে প্রশাসক হিসাবে মনোনীত করতে চলায় রাজনৈতিক মহলে বেশ গুঞ্জন উঠেছে।

তৃণমূল ও বামফ্রন্ট:

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলায় বিজেপির উত্থানের একটি মহৎ কারণ আছে । সকলেই জানেন, দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম শাসনের অবসান ঘটিয়ে, সরকারে এসেছিলেন মমতা ব্যানার্জী । কিন্তু, তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর, রাজ্যে বামফ্রন্ট শুধু দুর্বলই নয়, বরং অন্তিম শ্বাস গুনতে শুরু করে । অর্থাৎ রাজ্য এক প্রকার বিরোধী শুন্য হয়ে যায় । আর ঠিক এরই ফায়দা নিতে শুরু করে কেন্দ্রে থাকা বিজেপি দল । তাই বামফ্রন্টকে চাঙ্গা করতে কি মমতা ব্যানার্জী শিলিগুড়িতে এই কৌশল নিলেন ? প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *