Amaon and Google will face problem to sell Chinese goods in India Due to new E-Commerce draft

এবার Amazon, Google -এ চীনের পণ্য বিক্রি বন্ধ !

ব্যবসা

এ বার ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মেও (Amaon and Google) চীনা পণ্যের বিক্রি বন্ধের চেষ্টায় কৌশলী পদক্ষপ নিয়েছে ভারত। ভারতের নতুন ই-কমার্স বিধিতে তেমনই …

নিজস্ব সংবাদদাতা: মাত্র তিন সপ্তাহের ব্যবধান। দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে থেকেছে। সীমান্তে যুদ্ধ যুদ্ধ আবহাওয়া জারি ছিল। এক ঝটকায় চীনের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক কাটাতে মরিয়া কেন্দ্রীয় সরকার। এ বার ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মেও (Amaon and Google) চীনা পণ্যের বিক্রি বন্ধের চেষ্টায় কৌশলী পদক্ষপ নিয়েছে ভারত। ভারতের নতুন ই-কমার্স বিধিতে তেমনই ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।

আত্মনির্ভর ভারতের ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। মাথা ঠান্ডা রেখে আন্তর্জাতিক মহলে দেশের খ্যাতি বাড়িয়েছে অনেকটা। দেশে নিষিদ্ধ হয়েছে ৫৯টি চীনা অ্যাপ। ইন্দো-চীন সীমান্ত সমস্যার ফলে বাতিল করা হয়েছে সেই দেশের সংস্থাকে দেওয়া বিভিন্ন বড় টেন্ডার। দেশজুড়ে তীব্র হচ্ছে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক। এই প্রেক্ষাপটে ৩০০ টির বেশি বিদেশি পণ্যের শুল্ক বৃদ্ধি ও আমদানিতে রেশ টানার পদক্ষেপ নিচ্ছে কেন্দ্র।

Amaon and Google will face problem to sell Chinese goods in India Due to new E-Commerce draft
Amaon and Google will face problem to sell Chinese goods in India Due to new E-Commerce draft

গোটা দেশে চীনের পণ্যের বাড়বাড়ন্ত ঠেকাতে এবার আরও এক পদক্ষেপ নিলো ভারত। নয়া ই-কমার্স পলিসির মাধ্যমে চীনা পণ্য আমদানি বন্ধ করতে চলেছে কেন্দ্র। কেন্দ্র সরকারের ১৫ পাতার লম্বা খসড়াতে একাধিক নিয়ম পরিবর্তন করা হয়েছে। এই পরিবর্তিত নিয়ম মূলত দুটি উদ্দেশ্য। ভারতে Amazon, Google Alphabet Inc.-এর মতো সংস্থার আধিপত্য কমিয়ে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে নিয়ন্ত্রণ পাওয়া। একই সাথে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে ওই চীনা পণ্যের বিক্রিতে লাগাম দেওয়া।

[ আরও পড়ুন ] বিয়ের ভরা মরসুমে, ৮ বছরে সর্বাধিক বাড়লো সোনার দাম

সরকারের পক্ষ থেকে সমস্ত ই-কমার্স সংস্থাকে জানানো হচ্ছে, যে পণ্য তারা বিক্রি করছে তার প্যাকেটের গায়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে সেটি দেশজ কিনা। ২০২০ সালের মার্চে শেষ হওয়া আর্থিক বছরে ভারত থেকে ব্যবসা করে ৪৭ বিলিয়ন ডলার ঘরে তুলেছে বেজিং। ভারত-চীন দ্বন্দ্বের মধ্যে এ দেশে চীনের একচেটিয়া ব্যবসা বন্ধ করতে উদ্যোগ নিচ্ছে কেন্দ্র। ই-কমার্স সংস্থাগুলির উপর নজর রাখতে একটি নিয়ন্ত্রক কমিটি তৈরি হতে পারে।

[ আরও পড়ুন ] আয়কর রিটার্ন জমার শেষ তারিখ ৩০শে নভেম্বর

আসলে এই কমিটির কাছে ওই সংস্থাগুলির সমস্ত তথ্য জমা থাকবে। তাই ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ই-কমার্স সংস্থাগুলির দেশীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আইন-শৃঙ্খলা ও কর সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য দিতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *