Indian Govt to Borrow Rs 12 Lakh Crore from RBI in FY21

কেন্দ্র ১২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নেবে

ব্যবসা

দেশের রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে বন্ড জমা রেখে সরকার টাকা ধার নেয়। আগেই বাজেটে স্থির ছিল চলতি আর্থিক বছরে সরকারের ঋণ (Indian Govt to Borrow) নেওয়ার বহর দাঁড়াবে ৭ লক্ষ …

মাত্র দুই মাসেই দেশের আর্থিক অবস্থার করুন দশা ধরা পড়ছে। শেয়ার মার্কেটের হাল বেজায় খারাপ। সবদিকেই জটিলতা তৈরী হচ্ছে। এর মধ্যে চলতি আর্থিক বছরে সরকার ১২ লক্ষ কোটি টাকা ধার নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল। দেশের রিজার্ভ ব্যাঙ্কের কাছে বন্ড জমা রেখে সরকার টাকা ধার নেয়। আগেই বাজেটে স্থির ছিল চলতি আর্থিক বছরে সরকারের ঋণ (Indian Govt to Borrow) নেওয়ার বহর দাঁড়াবে ৭ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা। করোনা এক ধাক্কায় গোটা দেশের আর্থিক চিত্রটাকে অনেকটাই বদলে দিয়েছে।

দেশের শীর্ষ ব্যাংকও রেপো রেট সহ সমস্ত ক্ষেত্রে সুদের হার ব্যাপক পরিমানে কমিয়েছে, সঙ্গে আসছে গোল্ড বন্ড, তবুও বাজার নড়ে না চড়ে না । গৃহবন্দী মানুষ টাকার থেকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে জীবনের, কারণ প্রধানমন্ত্রী নিজেই বলেছেন – জান হায় তো জাহান । জনগণও মেনেছে সে কথা । এখন দোকানপাট আস্তে আস্তে খোলা শুরু করেছে, ঘুরতে শুরু করেছে অর্থনীতির চাকা । কিন্তু ভয়ের বিষয় হলো বেকারত্ব, আমদানি – রপ্তানী, মুদ্রাস্ফীতি, বন্যা ও চুরমার হয়ে যাওয়া MSME সেক্টর ।

Jio এর বৃহস্পতি তুঙ্গে – ১১,৩৬৭ কোটি টাকার ৩য় লগ্নিআরও জানতে ক্লিক করুন …

বাজেটের হিসাব অনুযায়ী:

ধুঁকতে থাকা ভারতীয় অর্থনীতি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে লকডাউনে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে, এই ধাক্কা সামলাতে বাজার থেকে নেওয়া ঋণের পরিমাণ একলাফে অনেকটা বাড়াতে হল কেন্দ্রকে। বাজেটের হিসাব অনুযায়ী, সপ্তাহে ১৯ হাজার থেকে ২১ হাজার কোটি টাকা ধার নেওয়ার কথা ছিল সরকারের। কিন্তু বন্ড জমা রেখে সরকার এখন সপ্তাহে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা ধার নেবে। আইসিআরএ-র মুখ্য অর্থনীতিক অদিতি নায়ারের মতে, এই সম্ভাবনা অনিবার্যই ছিল। কারণ লকডাউনের ফলে সরকারের রাজস্ব আদায় তলানিতে ঠেকেছে।

চীন ডিজিটাল মুদ্রা চালু করছে – আরও জানতে ক্লিক করুন …

ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি:

গোটা দেশে আট সপ্তাহ ধরে লকডাউন চলছে। ফলে মস্ত অর্থনৈতিক ক্ষতি সাধন হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, চলতি আর্থিক বছরে ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি হবে ০ শতাংশ হারে। অর্থাৎ দেশে কোনও বৃদ্ধিই হবে না। এর অর্থ, আগামীতে কর্মসংস্থানের সুযোগ কমবে ও বিপুল ছাঁটাই হতে পারে। উৎপাদন ক্ষেত্র থেকে শুরু করে সকল জায়গাতেই অগ্রগতি থেমে যাবে। গত মার্চ মাসে জিএসটি আদায় ৭৪ শতাংশ কমে হয়েছে মাত্র ২৮ হাজার কোটি টাকা। এই অবস্থায় সরকারের এভাবে ঋণের পরিমাণ বাড়ানো, কল্যাণদায়ক হচ্ছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *