French President Emmanuel Macron withdraws most of the restrictions due to Coronavirus pandemic

করোনার বিধিনিষেধ তুলে নিচ্ছে ফ্রান্স

করোনা আপডেট

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রন (French President Emmanuel Macron) করোনা ভাইরাসের কারণে বিভিন্ন ধরণের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা …

নিজস্ব প্রতিবেদন: কমবেশী ছয় মাস হয়ে গেলো ভাইরাসের উপস্থিতি। গোটা পৃথিবীতে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে স্বস্তির খবর মিলেছে। নিউজিল্যান্ড থেকে ফ্রান্স। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রন (French President Emmanuel Macron) করোনা ভাইরাসের কারণে বিভিন্ন ধরণের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার ঘোষণা করেছেন।

এবার মশার লালা বা থুতু থেকে তৈরি হচ্ছে ভ্যাকসিন – আরও জানতে ক্লিক করুন …

আজ সোমবার থেকে ফ্রান্সে ক্যাফে ও রেস্টুরেন্ট খুলছে। এর সাথে ইউরোপের অন্যান্য দেশে ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আবার পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে বৃদ্ধাশ্রমে যেতে পারবেন ফরাসিরা। তবে হাই স্কুল বাদে অন্যান্য স্কুল খুলবে আগামী ২২শে জুন থেকে।

COVID-19 update of France
COVID-19 update of France

আজ থেকে থেকে জার্মানী, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড, ক্রোয়েশিয়া ইউরোপের দেশগুলোর সাথে তাদের সীমান্ত খুলে দিয়েছে। একটা সময় সংক্রমন আর মৃত্যুতে দিশাহারা হয় ফ্রান্স। কিছুতেই ভাইরাসকে আয়ত্তে আনা যাচ্ছিলো না। মানুষের সচেতনতা ও প্রশাসনের ভুমিকা প্রশংসার দাবি রাখে। ইউরোপে করোনায় বিপর্যস্ত দেশের মধ্যে ফ্রান্স অন্যতম একটি।

ব্লাড গ্রুপের সঙ্গে লিঙ্গ পার্থক্যে যোগ আছে করোনা ভাইরাসের ? – আরও জানতে ক্লিক করুন …

দেশটিতে এখন পর্যন্ত এই ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ২৯,৪১০ জনের। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ ৯৪, ১৫৩ জন। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন কমবেশি ৭৩ হাজার। তাই এই মাসে দেশটির বিভিন্ন অংশে সামাজিক দূরত্ব মেনে রেস্টুরেন্ট, হোটেল এবং ক্যাফে খুলে দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

President of France Emmanuel Macron
President of France Emmanuel Macron

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের কাছে গত ২৭ ডিসেম্বর এক ব্যক্তির নিউমোনিয়া শনাক্ত হয়। সেই নিউমোনিয়া ছিল আসলে করোনাভাইরাস। ধারণার একমাস আগেই করোনাভাইরাস ইউরোপে এসেছে। ডাঃ ইভস কোয়েন বলেন, সেই রোগীর নাক এবং গলা থেকে যে লালা সংগ্রহ করা হয়েছিল সেটি সম্প্রতি পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে।

পরীক্ষায় কোভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া গেছে। সেই ব্যক্তি এরই মধ্যে সুস্থ হয়ে গেছেন। তার দেহে এই ভাইরাসের সংক্রমণ কিভাবে এসেছিলো তা বোঝা যায় নি। ভাইরাসের বিস্তার কিভাবে হয়েছে সেটি বুঝতে হলে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। সেই অধ্যায় শেষ হতে চলেছে। ফ্রান্স ধীরে ধীরে নিজস্ব গতিতে ফিরছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *