PUBG Game Banned in Several Countries

ক্ষতিকর প্রভাব ফেলছে মানুষের মনে – পাবজি নিষিদ্ধ একাধিক দেশে

গ্যাজেট

এই খেলার সময়ে অন্য খেলোয়াড়দের নৃশংসভাবে হত্যা করাই এই গেমের নিয়ম। এই ধরনের খেলায় অল্পবয়সীদের মধ্যে হিংসার জন্ম দিতে পারে।

পৃথিবীর অল্পবয়সীদের মধ্যে বাড়ছে হিংসা।বিজ্ঞানের আশীর্বাদকে আমরা গ্রহণ করতে পারছি না| একটি জনপ্রিয় এক ভিডিয়ো গেম, বিশ্বে ২০ কোটির বেশি ডাউনলোড হয়েছে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩ কোটি মানুষ এই গেম খেলেন। দক্ষিণ কোরিয়ার এক সংস্থার তৈরি ‘প্লেয়ার্স আননোন ব্যাটলগ্রাউন্ড’, সংক্ষেপে পিইউবিজি বা PUBG।এই অভিযোগে এর আগেও বিশ্বের একাধিক দেশে নিষিদ্ধ হয়েছে পাবজি। জর্ডানের টেলিকম নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের দাবি ব্যবহারকারীদের ওপর কুপ্রভাবের জেরেই সরকারিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে পাবজি গেম।

PUBG Game Banned in Several Countries
PUBG Game Banned in Several Countries

জানা যাচ্ছে, জর্ডানে যথেষ্ট জনপ্রিয় ছিল পাবজি খেলা। দেশের যুবসমাজের মধ্যে এই গেমের জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে।এব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল সেই দেশের টেলিকম কর্তৃপক্ষ। এই খেলার সময়ে অন্য খেলোয়াড়দের নৃশংসভাবে হত্যা করাই এই গেমের নিয়ম। এই ধরনের খেলায় অল্পবয়সীদের মধ্যে হিংসার জন্ম দিতে পারে। আর এই কারণেই পাবজি নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ইরাক, নেপালে ও ভারতের গুজরাটে নিষিদ্ধ করা হয়েছে পাবজি গেম।

কেবলমাত্র বিনোদনের জন্য এই গেমটি খেলা হলে এটা নিয়ে কারো মাথাব্যথা থাকত না। কিন্তু গেমটি যেভাবে মানুষজনকে আসক্ত করছে, সেটা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। পাবজি একটা চমৎকার গেম, এতে কোনো সন্দেহ নেই।গেমটির অত্যধিক সহিংসতা গেমারকে আক্রমণাত্মক করে তুলতে পারে। হিংসাত্মক কার্যক্রমে তাকে অভ্যস্ত করে তুলতে পারে। পাশাপাশি গেমারের আচার আচরণকেও বিষিয়ে তুলতে পারে।গেমটির অত্যধিক সহিংসতা গেমারকে আক্রমণাত্মক করে তুলতে পারে। হিংসাত্মক কার্যক্রমে তাকে অভ্যস্ত করে তুলতে পারে। পাশাপাশি গেমারের আচার আচরণকেও বিষিয়ে তুলতে পারে।

এটি প্লেয়ারদের একটানা খেলতে থাকতে বাধ্য করে। অথচ একটানা মোবাইল বা কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা কখনোই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কারণ এটি কোনো শারীরিক পরিশ্রমের কাজ নয়। তাছাড়াও এগুলোর দিকে একটানা তাকিয়ে থাকলে আপনার চোখও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গেমের ফলাফল নিজের পছন্দ মতো না হলে একজন মানুষ সহজেই বিষণ্ণ হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি সামাজিক মিথস্ক্রিয়ার অভাবে সামাজিক জীবনে চলাফেরার সময় মানুষটি উদ্বিগ্নতায় ভুগতে পারে। তাই বিজ্ঞানের দানকে সঠিক ভাবে ব্যবহার শিখতে হবে আমাদের|

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *