Biography of eminent poet John Milton in Bengali

John Milton – কবি জন মিলটনের জীবন কাহিনী

ইতিহাস

১৬৩২ সালে তাঁকে কেমব্র্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে কাজের দায়িত্ব আসলেও তিনি (John Milton) তা গ্রহণ করেন নি। এরপর তিনি হর্টনে …

নিজস্ব সংবাদদাতা: বিশ্ব সাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র জন মিলটন। কবিতার ক্ষেত্রকে তিনি অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিলেন। জন মিলটনের জন্ম ১৬০৮ সালের ৯ই ডিসেম্বর লন্ডনের ব্রিড স্ট্রিটে। তাঁর বাবার নাম সিনিয়র জন মিলটন ও মেয়ের নাম সারাহ জেফরি। ছোটবেলা থেকে তিনি অন্তর্মূখী ও চিন্তাশীল ছিলেন। প্রথমে তিনি সেন্ট পল স্কুলে ভর্তি হন। পরে কেমব্রিজের ক্রাইস্ট কলেজে ভর্তি হন ও ১৬২৯ সালে কেমব্র্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন। ১৬৩২ সালে তাঁকে কেমব্র্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্ট্রাক্টর হিসেবে কাজের দায়িত্ব আসলেও তিনি (John Milton) তা গ্রহণ করেন নি।

এরপর তিনি হর্টনে বাবার কাছে চলে আসেন চার্চের পাদ্রি হওয়ার জন্য। জন মিলটন, সপ্তদশক শতাব্দীর ইংরেজ কবি, গদ্য লেখক ও কমনওয়েলথ অব ইংল্যান্ডের একজন সরকারি কর্মচারী।

Biography of eminent poet John Milton in Bengali
Biography of eminent poet John Milton in Bengali

১৬৩৭ সালে মায়ের মৃত্যুর পর তাঁর সংসারের সাথে যোগাযোগ কমে যায়। বাবার অনুমতি নিয়ে দেশভ্রমণে মন দেন। এরপর বহু খ্যাতনামা কবি ও সাহিত্যিকের সংস্পর্শে আসেন। রোমে থাকা কালীন তার বেশির ভাগ সময় কাটে ভ্যাটিকান লাইব্রেরিতে। রোমের অতীত সভ্যতা নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। তখন তিনি বিশ্বের ক্লাসিক সাহিত্যের প্রেমে পড়ে যান। ১৬৪৯ সালে রাষ্ট্রীয় প্রজাতন্ত্র সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে লাতিন সেক্রেটারি হিসেবে নিযুক্ত হন।

এ সময় তাঁর জীবনে একাধিক সমস্যা তৈরী হয়। তিনি হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। ১৬৬০ সালে তিনি চাকরি হারান। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি টি এস এলিয়ট ও এফ আর লেভিস এর জনপ্রিয়তার কাছে তার সাহিত্যের অবস্থান হুমকির মুখে ছিল।

[ আরও পড়ুন ] Bishnu Dey: বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তি কবি বিষ্ণু দে

কিন্তু বিভিন্ন সামাজিক ও সাহিত্য জার্নালের কল্যাণে মিল্টনের অবদান একুশ শতাব্দীতেও অটুট ছিল। ১৬৫৮ থেকে ১৬৬৪ সালের মধ্যে মিলটন তার মহাকাব্য প্যারাডাইজ লস্ট নির্মাণ করেন। সেই সময় তিনি একেবারেই অন্ধ ও চরম দরিদ্র ছিলেন। তিনি মুখে বলে যেতেন আর তা লিপিবদ্ধ করতেন তার মেয়ে। ১৬৭৪ সালে কাব্যটির ২য় সংস্করন প্রকাশিত হয়। মহাকাব্যটি তার নিজের জীবনের হতাশা ও ব্যর্থতা তুলে ধরেছিলেন। এর সাথে মানুষের সুপ্ত ক্ষমতাকে নিয়ে তিনি আশাবাদী ছিলেন। তবু এক সময় তাঁর সব রচনা আগুনে পুড়িয়ে ফেলা হয়।

এরপর লন্ডনের অদূরে গ্রামের ছোট্ট কুটিরে পরিবার নিয়ে তিনি আশ্রয় নেন। ১৯৭৩ সালে মিলটন তার ১৬৪৫টি কাব্য ও চিঠির সংগ্রহ পুনরায় প্রকাশ করেন। ১৬৭৪ সালের ৮ই নভেম্বর এই কিংবদন্তি কবি মারা যান। তার সৃষ্টি কর্মের তিনি অমর হয়ে থাকবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *