Biography of Indian music stalwart Ananda Shankar

Ananda Shankar: সুরসাধক আনন্দশঙ্করের জন্মদিন

ইতিহাস

১৯৪২ সালের ১১ই ডিসেম্বর, তিনি (Ananda Shankar) উত্তর প্রদেশের আলমোরায় জন্মগ্রহণ করেন। গোটা শংকর পরিবারটি একটা সংস্কৃতির …

নিজস্ব সংবাদদাতা: একটা মানুষ ভারতীয় সুরের মাধুর্যকে সাবলীল ভাবে বিশ্ব দরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। প্রাচ্যের সাথে পাশ্চাত্যের মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন সুরের মধ্যে দিয়ে। সেতারের মাদকতায় ডুবিয়ে রেখেছেন সুরের ভক্তদের। সেই সুরসাধকের নাম আনন্দশঙ্কর। ১৯৪২ সালের ১১ই ডিসেম্বর, তিনি (Ananda Shankar) উত্তর প্রদেশের আলমোরায় জন্মগ্রহণ করেন। গোটা শংকর পরিবারটি একটা সংস্কৃতির তীর্থক্ষেত্র। যদিও শঙ্কর পরিবারের আদি বাসস্থান ছিল বাংলাদেশের যশোর জেলায়। বাবা প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী উদয়শঙ্কর। এই উদয়শঙ্কর ভারতীয় নৃত্যকে পাশ্চাত্যে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন। মা অমলা শঙ্কর একজন গুণী নৃত্যশিল্পী। বোন মমতা শঙ্কর প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী। স্ত্রী তনুশ্রী শঙ্করও একজন প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী।

Biography of Indian music stalwart Ananda Shankar
Biography of Indian music stalwart Ananda Shankar

আনন্দশঙ্কর বেনারস হিন্দু ইউনিভারসিটিতে পড়ালেখা করেছেন। এই আনন্দ শংকর ছিলেন অনন্য প্রতিভার অধিকারী একজন বাঙালী কম্পোজার। তিনি মূলত প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সুরের সংমিশ্রনে ফিউশন ধারার মিউজিক কম্পোজ করতেন। অগণিত অসাধারন কম্পোজিশনের মায়াবী সুর ও ছন্দ বিশ্বের সকল শ্রোতাকে অন্য এক জগতে নিয়ে যায়। কম্পোজিশনে সেতারে দক্ষ হলেও, অন্যান্য বাদ্যযন্ত্রতে তার সমান সাবলীলতা ছিল। তিনি সেতার শিখেছেন লালমনি মিশ্রর কাছে । বিখ্যাত সেতার বাদক রবিশঙ্কর, সম্পর্কে আনন্দশঙ্কর-এর জ্যাঠা হলেও তাঁর কাছে সেতারে হাতেখড়ি হয়নি। ষাটের দশকের শেষে আনন্দ যান লস এ্যাঞ্জেলেস। সেখানে পৌঁছে অনেকের সাথেই “জ্যাম” করে। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ট গিটারিস্ট জিমি হেনড্রিক্স ছিলেন তার সঙ্গী।

[ আরও পড়ুন ] John Milton – কবি জন মিলটনের জীবন কাহিনী

১৯৭০ সালে আনন্দশঙ্কর, প্রথম রেকর্ড বার করলেন আনন্দপ্রকাশ করেন। The Rolling Stones’ Jumpin’ Jack Flash and The Doors’ Light My Fire. খুব তাড়াতাড়ি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এরপর থেকে আনন্দশঙ্করকে ফিউশন মিউজিকের গুরু বলা হতো। ১৯৭৫ সালে কলকাতায় ফায়ার আসেন ও বিয়ে হয়। এরপর তৈরী করেন তুমুল জনপ্রিয় অ্যালবাম “আনন্দশঙ্কর অ্যান্ড হিজ মিউজিক”। এক লহমায় সারা ভারত এনতুন যন্ত্রসঙ্গীতের মূর্চ্ছনায় মুগ্ধ হয়ে ওঠে। আসলে এই আনন্দশঙ্করের মিউজিক মানেই একটা পারফেক্ট ফিউশন মিউজিক। তিনি আমৃত্যু সবধরণের সঙ্গীত সাধনায় ডুবেছিলেন। তিনি ১৯৯৯ সালের ২৬শে মার্চ তিনি পরলোকগমন করেন। তিনি তার সৃষ্টির মধ্যেই , অমর হয়ে থাকবেন। ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *