India Film Actor, Director and Producer Raj Kapoor Biography

Raj Kapoor: অভিনেতা, পরিচালক, রাজ কাপুর

ইতিহাস বিনোদন

শিল্প ও বিনোদনের সাথে ব্যবসাকে সুন্দর ভাবে মেশাতে পেরেছিলেন । সেই চেনা ধারার বাইরে হিন্দি সিনেমাকে উর্বর করা মানুষটির নাম রাজ কাপুর (Raj Kapoor) ।

ভারতীয় সিনেমা অনেকটা পরিণত ও আধুনিক হয়ে উঠেছিল একটা মানুষের হাত ধরে। প্রচলিত ভাবনার বাইরে গিয়ে সিনেমাকে খুব কাছের রূপ দিতে পেরেছিলেন। শিল্প ও বিনোদনের সাথে ব্যবসাকে সুন্দর ভাবে মেশাতে পেরেছিলেন তিনি। সেই চেনা ধারার বাইরে হিন্দি সিনেমাকে উর্বর করা মানুষটির নাম রাজ কাপুর (Raj Kapoor) ।

প্রখ্যাত অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক রাজ কাপুরের আজ প্রয়াণ দিবস। জীবনের সায়াহ্নে হাঁপানি রোগে কষ্ট পান রাজ কাপুর। ১৯৮৮ সালের ২রা জুন, ৬৩ বছর বয়সে তিনি পরলোকের বাসিন্দা হন। শেষ হয় একটা প্রতিষ্ঠানের জীবনপ্রবাহ। আসলে ভারতীয় চলচ্চিত্রের সেরা পথপ্রদর্শকরূপে তাকে সকলে শ্রদ্ধা জানায়।

Raj Kapoor in Mere Naam Jokar
Raj Kapoor in Mere Naam Jokar

পরাধীন ভারতের পেশাওয়ারের ঢাক্কি মুনাওয়ার শাহ এলাকায় রাজ কাপুর জন্মগ্রহণ করেন। পাঞ্জাবী হিন্দু পরিবারের সন্তান রাজ কাপুরের বাবা ছিলেন পৃথ্বীরাজ কাপুর ও মা রমাস্বামী ‘রমা’ দেবী কাপুর। পরিবারের ছয় সন্তানের মধ্যে তিনি বড় সন্তান ছিলেন। পরবর্তীতে বসবাস ও শিক্ষালাভের জন্য পেশাওয়ার ছেড়ে চলে আসেন ভারতে।

দেশের প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষ  – আরও জানতে ক্লিক করুন …

১৯৩০সালে দেরাদুনের কর্নেল ব্রাউন কেমব্রিজ স্কুলে ও পরে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজিয়েট স্কুলে পড়াশুনা করেন। ১৯৩৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ইনকিলাব সিনেমাতে মাত্র দশ বছর বয়সে তাকে পর্দায় দেখা যায়। ১২ বছরে কয়েকটি সিনেমায় অভিনয়ের পর ১৯৪৭ সালে বড় সুযোগ পান নীল কমল সিনেমাতে, যার বিপরীতে ছিলেন মধুবালা।

১৯৪৮ সালে চব্বিশ বছরের যুবক রাজকাপুর নিজস্ব স্টুডিও প্রতিষ্ঠিত করেন আর. কে. ফিল্মস নামে। সর্বকনিষ্ঠ পরিচালক হিসেবে সামনে এসে মন জয় করে নেন। একের পর এক অন্যধারার সিনেমা তৈরী করেন তিনি। ১৯৫১ সালে আওয়ারা, ১৯৫৫ সালে শ্রী ৪২০, ১৯৫৬ সালে চোরি চোরি ও জাগতে রাহো এবং ১৯৬০ সালে জিস দেশ মে গঙ্গা বেহতি হ্যায়ের মতো ব্যবসায়িকভাবে সফল সিনেমা বানান।

বিগ বির বিগ প্রশ্ন ‘ব্রা কেন সিঙ্গুলার, প্যান্টি কেন প্লুরাল?’ – আরও জানতে ক্লিক করুন …

১৯৭০ সালে তার নির্মাণে, পরিচালনায় ও অভিনয়ে মেরা নাম জোকার মুক্তি পায়। এই সিনেমা নির্মাণে ছয় বছরের বেশি সময় ব্যয় হয়। ১৯৭০-এর দশক থেকে ১৯৮০-এর দশক পর্যন্ত তার পরিচালনা ও নির্দেশনায় বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র নারী আন্দোলন প্রকাশ পায়। ১৯৭৮ সালে জিনাত আমানের সত্যম শিবম সুন্দরম, ১৯৮২ সালে পদ্মিনী কোলাপুরের প্রেম রোগ ও ১৯৮৫ সালে অভিষিক্ত মন্দাকিনী’র রাম তেরি গঙ্গা মাইলি মন ভরিয়ে দেয়।

তিনবার ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও এগারোবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন। ১৯৬৫ ও ১৯৭৯ সালে মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে বিচারকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য ছিলেন। ভারত সরকারের পক্ষ পদ্মভূষণ ও দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *