Lata Mangeshkar biography in Bengali

Lata Mangeshkar: সুর সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকারের জন্মদিন

ইতিহাস

সপ্ত সুরের সকল শাখায় তার সাবলীল গতিপ্রবাহ, সকলের কাছে বিস্ময়ের। তিনি সুর সম্রাজ্ঞী, ভারতরত্ন লতা মঙ্গেশকার (Lata Mangeshkar)। আজ …

নিজস্ব সংবাদদাতা: সংগীতের আবর্তে তিনি বিশ্ববন্দিত। তার সুকণ্ঠের মাদকতায়, আসমুদ্রহিমাচল কয়েক দশক ধরে মেতে আছে। সপ্ত সুরের সকল শাখায় তার সাবলীল গতিপ্রবাহ, সকলের কাছে বিস্ময়ের। তিনি সুর সম্রাজ্ঞী, ভারতরত্ন লতা মঙ্গেশকার (Lata Mangeshkar)। আজ তার ৯১তম শুভ জন্মদিন। মধুবালা থেকে কাজল পর্যন্ত প্রায় শত নায়িকার ঠোঁটে ধ্বনিত হয়েছে তাঁর গান ৷ ভারতীয় সঙ্গীতের অন্যতম কিংবদন্তি, এই “মেলোডি কুইনের” প্রতিভা একটা গবেষণার বিষয়। টানা ৭০ বছর ধরে বলিউডের অন্যতম সম্পদ এই গায়িকা। প্রথম বার মঞ্চে গাওয়ার জন্য লতা ২৫ টাকা উপার্জন করেছিলেন।

লতা মঙ্গেশকর ১৯২৯ সালের ২৮শে সেপ্টেম্বর মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে একটি মারাঠি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা দীননাথ মঙ্গেশকর, ছিলেন শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী ও মঞ্চ অভিনেতা ৷ বাবার কাছেই সংগীতের হাতেখড়ি হয়। তারপর ওস্তাদ আমানত আলী খাঁ সাহেবের কাছে তাঁর সংগীত শিক্ষা শুরু হয়। মা শেবান্তি ছিলেন গৃহিণী। তাঁর তিন ছোট বোন আশা ভোঁসলে, ঊষা মঙ্গেশকর ও মীনা মঙ্গেশকর। আর ছিল ছোট ভাই হৃদয়নাথ মঙ্গেশকর। শৈশবে বাড়িতে কে এল সায়গল ছাড়া কিছু গাইবার অনুমতি ছিল না। জীবনে প্রথম রেডিও কেনা হয় আঠারো বছর বয়সে। কিন্তু শখের রেডিও কেনার পর প্রথম যে খবরটি তাকে শুনতে হয় তা হলো, কে.এল.সায়গল আর বেঁচে নেই।

Lata Mangeshkar Family Snap
Lata Mangeshkar Family Snap

তিঁনি এক হাজারের বেশি ভারতীয় ছবিতে গান করেছেন। মাত্র ১৩ বছর বয়সে মারাঠি সিনেমাতে প্লেব্যাক করেন। বাংলাতেও তিনি অনেক গান করেছেন। ভারতের ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষাতে ও বিদেশী ভাষায় গান গাওয়ার রেকর্ড আছে। বাংল ভাষাতে তিঁনি অনেক গান করেছেন। ১৯৪২ sale তিঁনি প্রথম গান গেয়েছিলেন মারাঠি ছবি ‘কিতি হাসাল’-এর (১৯৪২) জন্য। কিন্তু চূড়ান্ত সম্পাদনায় বাদ দেওয়া হয় ‘নাচু ইয়া গাদে, খেলু সারি মানি হাউস ভারি‘ গানটি। তাঁকে প্রথম সুযোগ দেন মাস্টার গুলাম হায়দার। তার পরেই আসে ‘মহল’-এর সেই বিখ্যাত গান ‘আয়েগা আনেওয়ালা’। সেই ছবিটি ১৬ বছরের মধুবালা ও ২০ বছরের লতার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। এরপর এই ব্যতিক্রমী কণ্ঠস্বরই হয়ে ওঠে গোটা ভারতের গোল্ডেন ভয়েস।

[ আরো পড়ুন ] Arati Saha: প্রথম ভারতীয় মহিলা ইংলিশ চ্যানেল পার করেছিলেন

১৯৭৪ সালে সবচেয়ে বেশি গানের শিল্পী হিসেবে গিনেস বুকে স্থান পান লতা মঙ্গেশকর। সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ লতা মঙ্গেশকর ভারত রত্ন, পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণসহ অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন। এছাড়া দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, চারবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ১২ বার বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন পুরস্কার পান। প্রখ্যাত শিল্পীকে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান প্রদান করা হয়। ভারতের সর্বোচ্চ সম্মান ‘ভারতরত্ন‘ সম্মানে ভূষিত হন তিঁনি। তাঁকে ভারত সরকার ২০১৯ সালে “ডট্যার অব দ্য নেশন” খেতাবে ভূষিত করেন। তাঁর সার্বিক সুস্থ্যতার কমনা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *