Shobha De is an Indian columnist and novelist

Shobha De: লেখিকা শোভা দে’র জন্মদিন

ইতিহাস

শোভা দে (Shobha De) একজন ভারতীয় কলামিস্ট ও ঔপন্যাসিক। তিনি ১৯৪৮ সালের ৭ই জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। শোভা দে কেতাদুরস্ত সমাজের বিশিষ্ট …

শোভা দে (Shobha De) একজন ভারতীয় কলামিস্ট ও ঔপন্যাসিক। তিনি ১৯৪৮ সালের ৭ই জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। শোভা দে কেতাদুরস্ত সমাজের বিশিষ্ট মানুষের জীবনচিত্র ও যৌনতা নিয়ে কথাসাহিত্য লেখার জন্য বেশি পরিচিত। এজন্য তাকে জ্যাকি কলিন্স অফ ইন্ডিয়া বলা হয়। মহারাষ্ট্রের সাতারার এক হিন্দু সরস্বত ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন তিনি। প্রথম দিকে তিনি জিনাত আমানের সাথে মডেল হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৭০ সালে সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে। সেসময় তিনি স্টারডাস্ট, সোসাইটি ও সেলিব্রেটি নামে তিনটি ম্যাগাজিন প্রথম প্রকাশ এবং সম্পাদনা করেন।

আশির দশকে তিনি টাইমস অফ ইন্ডিয়ার সানডে ম্যাগাজিন সেকশন দেখাশোনা করতেন। তিনি মুম্বাইয়ের কেতাদুরস্ত সমাজের মানুষ ও সেলিব্রেটিদের সাথে ওঠাবসা করতেন। বর্তমানে তিনি একজন মুক্তপেশাজীবি লেখক এবং বিভিন্ন পত্রিকার কলামিস্ট। শোভা দে টাইমস অফ ইন্ডিয়া ও এশিয়ান এজ সহ মূলধারার চারটি পত্রিকায় সাপ্তাহিক কলাম লেখেন। তিনি ভারতের দ্বিতীয় দৈনিক সিরিয়াল স্বাভিমান (প্রথম সিরিয়ালের নাম শান্তি) সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় সিরিয়ালের লেখিকা। গরুখেকো বাঙালি সেকু-মাকুদের এই উক্তি নিয়ে লাফালাফি দেখে কয়েকটি কথা না বলতেই হয়।তিনি বলেছেন।।।”মাংস তো মাংসই হয়, গরুর হোক বা ছাগলের, বা অন্য কোন প্রানীর। তা হলে হিন্দুরা কিছু কিছু জানোয়ারের প্রতি আলাদা আলাদা ব্যবহার করে কেন নাটক করে যে, ছাগল কাটো কিন্তু গরু কেটো না। এটা কি তাদের মূর্খতা নয় ???”

মেলবোর্নের লেখক উৎসবসহ বিভিন্ন সাহিত্য উৎসবে অংশ নিয়েছেন। তিনি ব্যাঙ্গালুর সাহিত্য উৎসবে প্রথম বর্ষ থেকে নিয়মিত অংশ নিয়ে আসছেন। শিব সেনা তার বিভিন্ন লেখা ও মতামত প্রকাশের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। তাঁর উল্লেখযোগ্য বইগুলি হল, সুপারস্টার ইন্ডিয়া – ফ্রম ইনক্রেডিবল টু আনস্টএবল ,স্ট্রেঞ্জ অবসেশন,স্ন্যাপশট স,স্পাউসঃ দ্যা ট্রুথ এবাউট ম্যারেজ ,স্পীডপোস্ট – পেঙ্গুইন, নয়া দিল্লী (১৯৯৯),সারভাইভিং মেন – পেঙ্গুইন নয়াদিল্লী (১৯৯৮),সিলেক্টিভ মেমরি – পেঙ্গুইন নয়াদিল্লী (১৯৯৬),সেকেন্ড থট (১৯৯৬),স্মল বিট্রেয়লাস (১৯৯৫),শুটিং ফ্রম দ্যা হিপ (১৯৯৪),সাল্ট্রি ডেজ (১৯৯৪),সিস্টারস (১৯৯২) ইত্যাদি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *