Today is the 79th death Anniversary of Rabindranath Tagores

আজ ৭ই আগস্ট — ২২শে শ্রাবণ– রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণ দিবস

ইতিহাস

১৮৬১ সালের ৭ই অগাস্ট বা ১৩৪৮ সালের ২২শে শ্রাবন তিঁনি পরলোক (Death Anniversary of Rabindranath) গমন করেন। প্রতিদিনের প্রত্যেক …

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভুবন ডাঙার এক অতিমানবের আজ প্রয়াণ দিবস। আজ তিঁনি কায়া থেকে ছায়ায় পরিণত হয়েছিলেন। কিন্তু তিঁনি রয়ে গেছেন সকলের মননে। প্রতিদিনের প্রত্যেক কাজে, ভাবনায়, কল্পনায়, সমাধানে, মগজের উর্বরতার মাঝে মিশে আছে তাঁর সৃষ্টি। তিঁনি আমাদের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। সাহিত্যের সকল শাখায় তার ছিল অবাধ ও সাবলীল বিচরণ। বারবার ফিরে আসা যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাছে। বাঙালির এমন কোনো অনুভূতি নেই, যার প্রকাশ ঘটেনি এই কিংবদন্তির সৃজনশীলতার মধ্যে। ১৮৬১ সালের ৭ই অগাস্ট বা ১৩৪৮ সালের ২২শে শ্রাবন তিঁনি পরলোক (Death Anniversary of Rabindranath) গমন করেন।

তিঁনি লিখেছেন, ‘মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে / মানবের মাঝে আমি বাঁচিবার চাই। এই সূর্যকরে এই পুষ্পিত কাননে/ জীবন হৃদয় মাঝে যদি স্থান পাই।’ জন্ম ও মৃত্যুর মাঝে তফাত দেখেছেন কম। তাঁর ভাবনাতে ছিল, সৃষ্টিই এই নশ্বর জীবনকে অবিনশ্বরতা দেয়। তিঁনি বলেছেন, মৃত্যু দিয়ে যে প্রাণের / মূল্য দিতে হয়/ সে প্রাণ অমৃতলোকে / মৃত্যুকে করে জয়।’

Today is the 79th death Anniversary of Rabindranath Tagores
Today is the 79th death Anniversary of Rabindranath Tagores

কবিগুরু বিশ্ব সাহিত্যের এক জীবন্ত মহীরুহ। তাঁর হাত ধরেই বাংলা সাহিত্য নতুন স্বত্বায় প্রকাশ পায়। গানে, গল্পে, উপন্যাসে, কবিতায়, প্রবন্ধে, ছবিতে, প্রবন্ধে, সমাজ ও রাষ্ট্রনীতি চিন্তাধারায় রবীন্দ্রনাথ চির নবীন।

[ আরও পড়ুন ] Guy de Maupassant: কবি, ঔপন্যাসিক মোপাসাঁ

মানবতাবাদী বিশ্ব কবি বিশ্বাস করতেন বিশ্বমানবতায়। কবিগুরুর কাছ থেকে দুই দেশের জাতীয় সংগীত ও ‘বাংলাদেশ’ নামের বানানটি মিলেছে। রবিঠাকুর বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করেছেন। প্রথম এশীয় হিসেবে ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। জীবনের শেষ নববর্ষের সময় রবীন্দ্রনাথ ছিলেন শান্তিনিকেতনে। সেদিন তিঁনি লেখেন ‘সভ্যতার সংকট’ নামের অমূল্য লেখাটি।

[ আরও পড়ুন ] Salman Rushdie: বিতর্কিত সাহিত্যিক সালমান রুশদি

রোগশয্যায় শুয়েই জানালেন ‘আমারই জন্মদিন মাঝে আমি হারা’। ২২শে শ্রাবণ, ৭ই আগস্ট রবীন্দ্রনাথের কানের কাছে জপ করা হলো সেই ব্রাহ্মমন্ত্র ‘শান্তম, শিবম, অদ্বৈতম…’ ‘…তমসো মা জ্যোতির্গময়…’। আজ যেন সকল স্থানে ধ্বনিত হচ্ছে তাঁর কথা, ‘আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু বিরহদহন লাগে/তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে তবু প্রাণ নিত্যধারা, হাসে সূর্য চন্দ্র তারা…’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *