BSF shoots down arms-laden Pak drone in Jammu and Kashmir

কাশ্মীরে ‘গোয়েন্দাগিরি’ পাক ড্রোনকে নামাল ভারত

ভারতবর্ষ

আজ শনিবার সকালে জম্মু কাশ্মীরের কাঠুয়ায় নজরদারি চালাতে প্রবেশ করে একটি পাক-ড্রোন (Pak drone in Jammu and Kashmir) । ভোর ৫টা ১০মিনিট …

নিজস্ব প্রতিবেদন: সীমান্তের হামলা অব্যাহত। পাকিস্তান নেওয়া খাওয়া ভুলে সন্ত্রাস চালাতে মরিয়া। লাদাখে চীনের পাশে জম্মু কাশ্মীরে ক্রমাগত পাক হামলা। প্রতিবেশী দুই রাষ্ট্রের বর্বরতা সামলাচ্ছে দক্ষ ভারতীয় সেনা। আজ শনিবার সকালে জম্মু কাশ্মীরের কাঠুয়ায় নজরদারি চালাতে প্রবেশ করে একটি পাক-ড্রোন (Pak drone in Jammu and Kashmir) । ভোর ৫টা ১০মিনিট নাগাদ উড়তে থাকে একটি ড্রোন। সেই সময় ওই এলাকা দিয়ে যাচ্ছিল বিএসএফের একটি গাড়ি।

BSF shoots down arms-laden Pak drone in Jammu and Kashmir
BSF shoots down arms-laden Pak drone in Jammu and Kashmir

ভারতীয় সেনার গতিবিধি জানতেই গোয়েন্দাগিরি চালাচ্ছিল পাক ড্রোনটি। পাকিস্তান থেকে ওড়ানো ড্রোনটি দেখা মাত্র গুলি করে নামায় বিএসএফ। আজ ওই এলাকাতে বিএসএফ-এর ১৯ ব্যাটেলিয়েনের টহলদারি দল পৌঁছায়। প্রথম হীরানগর সেক্টরের রাঠুয়া গ্রামের ওপর ড্রোনটিকে উড়তে দেখে।

[ আরো পড়ুন ] রাজ্যসভায় সুবিধাজনক জায়গায় বিজেপি

পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির জন্য আকাশ থেকে অস্ত্রশস্ত্র ফেলার জন্য এবং গুপ্তচরবৃত্তির জন্য ড্রোনটি ব্যবহার করা হয়।

অনৈতিকভাবে ভারতে প্রবেশ করে বলে জানা গিয়েছে। দ্রুত ড্রোনটিকে গুলি করে মাটিতে নামানো হয়। তার মধ্যে থেকে বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। সেই পাকিস্তানি ড্রোনের ভেতর একটি এম-৪ আমেরিকায় তৈরি রাইফেল, ২টি ম্যাগাজিন, ৬০ রাউন্ড বুলেট এবং সাতটি গ্রেনেড ছিল।

[ আরো পড়ুন ] “ফাইভ ফিঙ্গার স্ট্র্যাটেজি” – লাদাখে বাড়ছে সেনা-গাড়ি

বিএসএফ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মূলত গোয়েন্দাগিরি করতেই ভারতে প্রবেশ করানো হয় ড্রোনটিকে। সেনা ও ভারতীয় সমরাস্ত্রের ছবি ও ভিডিও লুকিয়ে তুলতে চায় পাক সেনা। পাকিস্তানের সেই বাসনা নষ্ট করেছে বিএসএফ জওয়ানরা। বিএসএফ সূত্রে জানা গেছে, আলি ভাই নামে কোনও জঙ্গির জন্য এই অস্ত্রশস্ত্র পাঠানো হয়েছিল।

কাশ্মীরের কাঠুয়া জেলার হিরানগর সেক্টরের উল্টো দিকে আছে পানেসর সেক্টর। সেখানকার পাক পিকেট বা পাকিস্তানি ঘাঁটি থেকেই এই ৮ ফুট চওড়া এই ড্রোন ওড়ানো হয়। সেখানে বসেই এটির নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছিলো বলে মনে করছেন বিএসএফের আধিকারিকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *