Butan warns India about five finger plan of China

“ফাইভ ফিঙ্গার স্ট্র্যাটেজি” – লাদাখে বাড়ছে সেনা-গাড়ি

ভারতবর্ষ

একটা আঙ্গুল নয়, বরং গোটা হাত দখল (Five finger strategy of China) করতে নেমেছে বেজিং। লাদাখ তার প্রথম আঙুল মাত্র। পৃথিবীর এই ভাইরাস …

নিজস্ব প্রতিবেদন: সীমান্ত ক্রমশ যুদ্ধের রূপ নিচ্ছে। একের পর এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। তবুও সমস্যা কাটার সম্ভাবনা কমছে। একটা আঙ্গুল নয়, বরং গোটা হাত দখল (Five finger strategy of China) করতে নেমেছে বেজিং। লাদাখ তার প্রথম আঙুল মাত্র। পৃথিবীর এই ভাইরাস আবহে যুদ্ধ একেবারেই নিষ্প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী জানান, ‘ভারত শান্তি চায়। কিন্তু প্ররোচিত করা হলে উপযুক্ত জবাব দিতেও আমরা তৈরি।’

সেনাপ্রধান জেনারেল এম এম নরবণে বলেছেন, ‘লাদাখে ২০ জন জওয়ানের জীবন দান ব্যর্থ হবে না।’ চীনের স্ট্র্যাটেজি বেশি বিধ্বংসী। একেই বলা হচ্ছে “ফাইভ ফিঙ্গার স্ট্র্যাটেজি” বা “পাঁচ আঙুলের যুদ্ধনীতি”। যা শুরু করেছিলেন মাও সে তুং ৷ লাদাখ বাদে বাকি চারটি আঙুল হল নেপাল, ভুটান, সিকিম ও অরুণাচলপ্রদেশ। সম্প্রতি চীনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানান, গালওয়ান উপত্যকা, পুরোটাই চীনের এলাকা।

Butan warns India about five finger plan of China
Butan warns India about five finger plan of China

মোদির ডাকে আজ লাদাখ পরিস্থিতি নিয়ে সর্বদল বৈঠক শুরু হবে। গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল এই বৈঠক হবে বিকেল ৫টায়। এই বৈঠকে থাকছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সোনিয়া গান্ধী, শরদ পওয়ার ,সীতারাম ইয়েচুরি, ডি রাজা, চন্দ্রবাবু নাইডু সহ প্রথম সারির নেতা-নেত্রীরা। সেন্ট্রাল তিব্বত অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের প্রেসিডেন্ট লোবসাং সাঙ্গে বলেন, চীনের মাস্টারপ্ল্যানের প্রাথমিক পর্ব হল লাদাখ।

[ আরো পড়ুন ] রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য ভারত

লাদাখের সীমান্তে বাড়তে চলেছে চীনের সেনাদল ও সাঁজোয়া গাড়ি। এক উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাচ্ছে, গালওয়ান নদীর গতিপথ বদলানোর চেষ্টা চালাচ্ছে চীন। গালওয়ান নদীর কাছে বুলডোজার আনা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সেই নদীর গতিপথে পরিবর্তন ঘটানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এখানেই ক্ষীণ ধারায় নদীটি বয়ে যাচ্ছে। পাথর ও কাদামাটি ফেলে নদীর গতিপথ অবরুদ্ধ করা হতে পারে।

[ আরো পড়ুন ] রাষ্ট্রসঙ্ঘে কাশ্মীর নিয়ে লড়াই – পাকিস্তানে ফিরলো দুই কর্মী

এই আবহে দু’ দেশের মধ্যে চুক্তি বদলের কথা ভাবছে ভারত। শান্তি বজায় রাখতে দু’ দেশের মধ্যে পাঁচটি চুক্তি হয়। ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে বলা হয়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ২ কিলোমিটারের মধ্যে গুলি ছুড়বে না দু’ দেশের সেনারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *