Central govt forming National Recruitment Agency for CET or Common Eligibility Test in India

আবার চমক ! দেশ জুড়ে সমস্ত ক্ষেত্রে একটাই চাকরির পরীক্ষা

ভারতবর্ষ

১৯শে অগাস্ট 2020 কেন্দ্রের ক্যাবিনেট বৈঠকে প্রস্তাবিত ন্যাশনাল রিক্রুইটমেন্ট এজেন্সি (National Recruitment Agency) গঠনের জন্য ছাড়পত্র …

নিজস্ব সংবাদাতা: ৩৪ বছরের পুরানো শিক্ষানীতি আজ অতীত। এসেছে বৈচিত্রধর্মী ও যুগোপযোগী সিলেবাস। কিন্তু ক্যালেন্ডারের পাতা ওল্টানোর আগেই আর এক চমক ! এবার চাকরির ক্ষেত্রেও মোদি সরকার আন্তে চলেছে বড়সড় পরিবর্তন ৷ মহাপরিবর্তন বলাই শ্রেয়। বদলে যেতে চলেছে নিয়োগের গতানুগতিক সমস্ত নীতি ও পদ্ধতি ৷ ১৯শে অগাস্ট 2020 কেন্দ্রের ক্যাবিনেট বৈঠকে প্রস্তাবিত ন্যাশনাল রিক্রুইটমেন্ট এজেন্সি (National Recruitment Agency) গঠনের জন্য ছাড়পত্র দিল নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভা ৷

এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভড়েকর জানিয়েছেন, “মন্ত্রিসভায় এবার দেশে কর্মপ্রার্থী নিয়োগের জন্য ন্যাশনাল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷ এতে আগের থেকে অনেক সহজেই চাকরি পেতে পারবেন যোগ্য চাকরিপ্রার্থীরা ৷”

Central govt forming National Recruitment Agency for CET or Common Eligibility Test in India
Central govt forming National Recruitment Agency for CET or Common Eligibility Test in India

দেশে প্রতিবছরে গড়ে ১.২৫ লাখ সরকারি চাকরির জন্য পরীক্ষা দেন প্রায় ২.৫ কোটি প্রার্থী ৷ কিন্তু, এবার থেকে ন্যাশনাল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির মাধ্যমে নেওয়া হবে একটিই সর্বভারতীয় অনলাইন পরীক্ষা ৷ ওই পরীক্ষার স্কোরের ভিত্তিতেই হবে সঠিক প্রার্থীর নির্বাচন ৷ সমস্ত সরকারি দফতর ও পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্ক শূন্যপদের নিরিখে ওই স্কোর দেখেই বেছে নেবেন প্রার্থী ৷ প্রচন্ড দাবদাহে অথবা কাকভেজা দুপুরে আর লাইনে দাঁড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে না প্রার্থীদের।

[ আরও পড়ুন ] পলাতক গুরু নিত্যানন্দ গড়লেন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ কৈলাশ

কেবলমাত্র, সরকারি চাকরির নন গেজেটেড শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা করে পরীক্ষা আর নয়, ন্যাশনাল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সির মাধ্যমে নেওয়া হবে একটিই পরীক্ষা CET অর্থাৎ, Common Eligibility Test ৷ এই পরীক্ষার মাধ্যমে কেন্দ্র সরকারের বিভিন্ন শূন্যপদে ও পাবলিক সেক্টর ব্যাঙ্কে যোগ্য কর্মপ্রার্থীদের নিয়োগ করা হবে ৷ এই সিদ্ধান্ত যে কতটা উপযোগী হবে তার উত্তর কিন্তু সময়ই জানে ।

[ আরও পড়ুন ] লিঙ্গ বৈষম্যের অবসান — পৈতৃক সম্পত্তি, অধিকার মেয়েদেরও !

পরীক্ষা অনলাইন হওয়ায়, পরীক্ষার আয়োজন ও ও পরিচালনা খাতে খরচ হওয়া সরকারের টাকা বাঁচবে ৷ চাকরিপ্রার্থীরাও একাধিকবার পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপ ও পরীক্ষা দিতে বিভিন্ন কেন্দ্রে ছুটে যাওয়ার মতো হয়রানি থেকে মুক্তি পাবেন ৷ সেই সাথে ঘুষ ও দালালি ব্যাবসারও পতন হবে এমনই আশা।\

[ আরো পড়ুন ] স্থগিত ক্লার্কশিপ সহ ৩৭টি পরীক্ষা – থামলো কর্মী নিয়োগ

সূত্রের খবর, বছরে দু’বার করে মোট ১২টি আঞ্চলিক ভাষায় নেওয়া হবে এই CET ৷ দেশের প্রতিটি জেলার হেডকোয়াটার্রে থাকবে এর সেন্টার ৷ প্রাথমিক ভাবে, পরীক্ষার জন্য এক হাজার সেন্টার অর্থাৎ পরীক্ষা কেন্দ্র তৈরি করবে কেন্দ্র সরকার ৷ তবে আবেদনের জন্য বয়সে কোনও ছাড় দেওয়া হচ্ছে না ৷ চলতে থাকা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষার ফি-এর ক্ষেত্রে গতানুগতিক ছাড় বজায় থাকছে ৷ পূর্বেই, ২০২০-২১ অর্থবর্ষে বাজেট পেশের সময়ই ন্যাশনাল রিক্রুটমেন্ট এজেন্সি ও Common Eligibility Test (CET) -এর কথা উল্লেখ করেছিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন ৷ এবার তা বাস্তবে রূপ পেলো। এই সিদ্ধান্তের ফলে বেকারত্বের হরে কি পরিবর্তন আসে, এখন সেটাই দেখার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *