Finally India and China agree to early complete disengagement from Ladakh

ভারত ও চীন লাদাখ থেকে পুরোপুরি সেনা সরাতে রাজি

ভারতবর্ষ

সীমান্তে শান্তির পরিস্থিতি থাকা প্রয়োজন। সেই কারণেই পূর্ব লাদাখের সংঘাতের অঞ্চল থেকে পুরোপুরি সেনা সরাতে (Disengagement from Ladakh) রাজি …

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভারতে সীমান্ত অস্থিরতা অনেকদিন ধরেই জারি। ভাইরাসের মধ্যে তৈরী হয়েছে যুদ্ধের পরিস্থিতি। একাধিক বার দুই দেশের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। দুই দেশের সম্পর্কে সামগ্রিক উন্নতির জন্য সীমান্তে শান্তির পরিস্থিতি থাকা প্রয়োজন। সেই কারণেই পূর্ব লাদাখের সংঘাতের অঞ্চল থেকে পুরোপুরি সেনা সরাতে (Disengagement from Ladakh) রাজি হয়েছে ভারত চীন। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “দু’দেশের মধ্যে চুক্তি অনুযায়ী যাতে পুরো শান্তি বজায় থাকে ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের আরও উন্নতি হয়, তার জন্যেই সেনা সরানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

Finally India and China agree to early complete disengagement from Ladakh
Finally India and China agree to early complete disengagement from Ladakh

এর আগে গত ৫ই জুলাই দুই দেশের বিশেষ প্রতিনিধি ফোনে কথা বলে সমঝোতায় পৌঁছন। ভারত ও চীন এই বৈঠকে সীমান্ত থেকে দ্রুত সেনা সরানোর ব্যাপারে একমত হয়েছে। দু’পক্ষের সিনিয়র কমান্ডাররা নিজেদের মধ্যে বৈঠকে একটা মজবুত বোঝাপড়ায় পৌঁছেছেনআবার কমান্ডার পর্যায়ে আরও একটি বৈঠক হবে বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। সেই বৈঠকে সেনা সরানো এবং পরবর্তী ধাপগুলো নিয়ে আলোচনা হবে। স্বস্তি ফিরতে পারে দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকাতে।

[ আরও পড়ুন ] আগামী সোমবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

যদিও এর আগে গত ১৪ই জুলাই সেনার উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু সেই অনুযায়ী সেনা সরানোর কাজ হয়নি। তাই আরো একবার বৈঠকে বসতে হয়। কিন্তু এবারের বৈঠকে দুই দেশ জানিয়েছে, লাদাখ থেকে সেনা তারা সরিয়ে নেবে। কিন্তু কী ভাবে এই সেনা সরানো হবে, তা নিয়ে দু’দেশের সেনার উচ্চপর্যায়ের একটা বৈঠক খুব তাড়াতাড়ি বসবে। সেখানেই এই বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

[ আরও পড়ুন ] G7 Summit 2020: সম্মেলনে আমন্ত্রিত প্রধানমন্ত্রী মোদি

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল ও চীনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই গত ৫ই জুলাই প্রায় দু’ ঘণ্টা ধরে ফোনে কথা বলেন। সেই আলোচনাতেই পূর্ব লাদাখে দু’ দেশের সেনার মধ্যে সংঘাত ও সীমান্তে প্রশমন বিষয়ে আলোচনা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *