Gujarat Biotechnology Research Centre Decodes the Whole Genome Sequence of Coronavirus

Genome Sequence of Coronavirus: গুজরাটের ল্যাব

ভারতবর্ষ

প্রথমবার নয়া করোনাভাইরাস অর্থাৎ সার্স-কভ-২ ভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনোমের বিশ্লেষণ (Genome Sequence of Coronavirus) করলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা।

আতংকের সমার্থক শব্দ হয়ে উঠেছে করোনা। কয়েক মাস ধরে গোটা পৃথিবীকে ঘরে ঢুকিয়ে রেখেছে। যদিও তাতেও থামছে না মৃত্যু মিছিল। লকডাউনে সাময়িক স্বস্তি পাচ্ছে মানুষ। অপেক্ষা একটা ভাইরাস বিনাশের ওষুধ। বিশ্বের সকল প্রান্তের বৈজ্ঞানিকরা ব্যস্ত আছেন এর মোকাবিলা করতে। এরই মাঝে ভারতের গুজরাট ল্যাব এক দিশা দেখালো বিশ্বকে। প্রাথমিকভাবে বিজ্ঞানীরা বলেছিলেন সিঙ্গল স্ট্র্যান্ডেড এই আরএনএ ভাইরাসের সাতটি স্ট্রেন রয়েছে। তবে প্রথমবার নয়া করোনাভাইরাস অর্থাৎ সার্স-কভ-২ ভাইরাসের পূর্ণাঙ্গ জিনোমের বিশ্লেষণ (Genome Sequence of Coronavirus) করলেন ভারতীয় বিজ্ঞানীরা।

Gujarat Biotechnology Research Centre Decodes the Whole Genome Sequence of Coronavirus
Gujarat Biotechnology Research Centre Decodes the Whole Genome Sequence of Coronavirus

নোভেল করোনাভাইরাসের জিনোম বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এর মধ্যেকার ২৭টি ভাইরাল প্রোটিনের রাসায়নিক বদল হয়েছে। ৩৮০ বার মিউটেশন অর্থাত্‍ জিনের গঠন বদলে গেছে। মাত্র ১৫০ ন্যানোমিটার যে ভাইরাসের আয়তন তার মধ্যে যদি ২৭টি প্রোটিনে ৩৮০ বার মিউটেশন হয়, তাহলে সেই ভাইরাস কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে সেটা বোঝাই যাচ্ছে। গুজরাটের বায়োটেকনোলজি রিসার্চ সেন্টারে ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্সিং করা হয়েছে। এটা মস্ত এক সাফল্য বলে মনে করা হচ্ছে।

যন্ত্রের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত করার একজন মারভিন মিনস্কি – আরও জানতে ক্লিক করুন …

গুজরাটের ল্যাবের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই আরএনএ ভাইরাল স্ট্রেনের জিনোমের পূর্ণাঙ্গ সিকুয়েন্স করা সম্ভব হয়েছে। যেহেতু এই ভাইরাসের মধ্যে বহুবার মিউটেশন হয়েছে, অর্থাৎ ভাইরাস তার জিনের গঠন বদলেছে, তাই এর জিনোম সিকুয়েন্স করা বেশ জটিল ব্যাপারই ছিল। তার উপর বিটা-করোনাভাইরাসের পরিবারের সদস্য হলেও এই ভাইরাস অনেকটা আলাদা। সার্স ভাইরাসের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার ছিল ১০ শতাংশ, মার্সের ক্ষেত্রে সেটাই ৩০ শতাংশ। করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। বিজ্ঞানী-গবেষক ইন্দ্রনীলবাবুর কথায়, সমীক্ষায় দেখা গেছে বয়স্কদের সংক্রমণে মৃত্যুর সম্ভাবনা অনেক বেশি। বিশেষত ৭০-৮০ বছর বয়স্কদের ক্ষেত্রে মৃত্যুহার প্রায় ১৫ শতাংশ। শিশুদের ক্ষেত্রে ০.২ শতাংশ।

পরীক্ষামূলকভাবে প্লাজমা থেরাপি প্রয়োগ – আরও জানতে ক্লিক করুন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *