MHA forms panel to handle investigation against 3 Gandhi family trusts

গান্ধী পরিবারের ট্রাস্টে আর্থিক অসঙ্গতি – তদন্ত কমিটি গঠন

ভারতবর্ষ

ভারতের এই বিখ্যাত পরিবারের সঙ্গে যুক্ত তিনটি ট্রাস্টের (Gandhi family trusts) আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের …

নিজস্ব সংবাদদাতা: আর্থিক অনিয়মের গন্ধ মিলেছে গান্ধী পরিবারে! দিল্লির দরবারে গেরুয়া শিবিরের প্রধান প্রতিপক্ষ জাতীয় হাত কংগ্রেস। আর এই হাতের পেটেন্ট রাখা আছে গান্ধী পরিবারের নিরাপদ সিন্ধুকে। স্বাধীনতার সাতটি দশক পার হয়েও গান্ধাই পরিবারের আসন প্রীতি অক্ষত রয়েছে। এবার সেই গান্ধী পরিবারে আনা হয়েছে আর্থিক অনিয়মের বিষয়। ভারতের এই বিখ্যাত পরিবারের সঙ্গে যুক্ত তিনটি ট্রাস্টের (Gandhi family trusts) আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ সামনে এসেছে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সূত্রে জানা যাচ্ছে , রাজীব গান্ধি ফাউন্ডেশন, রাজীব গান্ধি চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও ইন্দিরা গান্ধি মেমোরিয়াল ট্রাস্টের বিরুদ্ধে আয়কর ও অনুদানের বিধি লঙ্ঘন উঠেছে। এই বিষয়ে তদন্তের জন্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে।

MHA forms panel to handle investigation against 3 Gandhi family trusts
MHA forms panel to handle investigation against 3 Gandhi family trusts

গত মাসে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনে বিজেপি শিবির। তাদের স্পষ্ট অভিযোগ, সরকারে থাকাকালীন মনমোহন সিং সরকার প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে বেআইনিভাবে রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনে অর্থদান করেন। বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা বলেন, “মানুষকে সাহায্য করার জন্য PMNRF। কিন্তু UPA আমলে সেখান থেকে রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশনে টাকা দান করা হতো। PMNRF বোর্ডে ও RGF-এর চেয়ারে ছিলেন শ্রীমতি সনিয়া গান্ধী। এটা সম্পূর্ণরূপে নিন্দনীয়, নীতিবিরোধী এবং অস্বচ্ছ।”

[ আরও পড়ুন ] লাদাখের পর এবার আন্দামানে যাচ্ছে অতিরিক্ত সেনা

সেই ১৯৯১ সালে অর্থমন্ত্রী হিসাবে নিজের বাজেট আলোচনাতে মনমোহন সিং, “রাজীব গান্ধি ফাউন্ডেশনের” জন্য ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেন। রাজীব গান্ধি ফাউন্ডেশনের প্রধান কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধি। আবার সেই বোর্ডের সদস্যরা হলেন রাহুল গান্ধি, প্রিয়াঙ্কা গান্ধি ভঢরা, পি চিদাম্বরম এবং মনমোহন সিং। ভারতের চীনা দূতাবাস থেকে অনুদান পেয়েছে কংগ্রেস পরিচিলিত রাজীব গান্ধি ফাউন্ডেশন। ২০০৫-০৬ সালে এই লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ এনেছে বিজেপি।

[ আরও পড়ুন ] প্রিয়াংকাকে লোদী এস্টেটের বাংলো ছাড়ার নোটিস

এর আগে কয়েকটি আর্থিক কেলেংকারির মামলায় জড়িয়েছেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর স্বামী রবার্ট বঢরা। ভারত ২০০৯ সালে সুইজারল্যান্ডের পিলেটাস এয়ারক্রাফট লিমিটেড নামে এক সংস্থার থেকে ৭৫ টি বেসিক ট্রেনার বিমান কিনেছিল। অভিযোগ আসে, এই বিমান কেনার সময় কিকব্যাক নিয়েছিলেন অস্ত্র ব্যবসায়ী সঞ্জয় ভাণ্ডারী। তিনি গান্ধী পরিবারের জামাই রবার্ট বঢরার কাছের বন্ধু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *