Punjab And Rajasthan Station Under JeM Threat

জইশের হুমকিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে পঞ্জাব এবং রাজস্থানের স্টেশনে ।

ভারতবর্ষ

জিআরপি-র পুলিশ সুপার মমতা বিষ্ণৈ সংবাদ বলেন, পঞ্জাব পুলিশের থেকে এই তথ্য পাওয়ার পরে জিআরপি এবং আরপিএফ-কে সতর্ক করা হয়েছে।

ভোটের মাঝেই আবার সন্ত্রাসের আতঙ্ক তৈরী হলো|হামলা ও নিশানার হুমকি এসে পৌছালো পশ্চিম ভারতের রেল স্টেশনগুলি।বিশেষকরে পঞ্জাব এবং রাজস্থানের রেল স্টেশনগুলিতে হামলার হুমকি দিয়েছে পাক সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। তবে এই হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন স্টেশনে যৌথ অভিযান শুরু করেছে দক্ষ জিআরপি এবং আরপিএফ বাহিনী। গত বৃহস্পতিবার একটি হুমকি চিঠি পেয়েছে,পঞ্জাব রেল বোর্ডের ম্যানেজার।

জানা যাচ্ছে, জইশের এরিয়া কমান্ডার মাসুর আহমেদের পাঠানো ওই চিঠিতে স্পষ্ট ভাষায় পঞ্জাব এবং রাজস্থানের রেল স্টেশনগুলিতে হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। জইশ-ই-মুহাম্মদ কাশ্মীর ভিত্তিক এক জিহাদি সংগঠন।সংগঠনটির প্রাথমিক লক্ষ্য কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা করা| সে জন্য ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে একাধিকবার হামলা চালিয়েছে এই সংগঠনটি। তবে পরিস্থিতি বুঝে,২০০২ সালে পাকিস্তানে জইশ-ই-মুহাম্মদ নিষিদ্ধ হয়।

তার আগে, ১৯৯৯ সালের ২৪ ডিসেম্বর কাঠমান্ডুতে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমান অপহরণ করে পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গিরা| মোট ১৮০ জন যাত্রীসহ আইসি ৮১৪ ফ্লাইটটিকে অমৃতসর,লাহোর ও দুবাই হয়ে বিমানটিকে আফগানিস্তানের কান্দাহারে নিয়ে যায়। এই ঘটনার কারামুক্তির কিছুদিন পরে মওলানা মাসউদ আজহার ২০১০ সালের মার্চ মাসে জইশ-ই-মুহাম্মদ গড়েন।

হরকাতুল মুজাহিদীনের অধিকাংশ সদস্যই মওলানা আজহারকে অনুসরণ করে নতুন দল জইশ-ই-মুহাম্মদে যোগ দেয়। তবে ২০০২ সালের জানুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্ট পারভেজ মুশাররফ সরকার জইশ-ই-মুহাম্মদকে নিষিদ্ধ করলে দলটি নাম বদলে খাদ্দাম- উল- ইসলাম হিসেবে কাজ চালিয়ে যায়।

কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের সময় এমন চিঠি পাওয়ার পরে রেলের নিরাপত্তায় কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না প্রশাসন। জিআরপি-র পুলিশ সুপার মমতা বিষ্ণৈ সংবাদ বলেন, পঞ্জাব পুলিশের থেকে এই তথ্য পাওয়ার পরে জিআরপি এবং আরপিএফ-কে সতর্ক করা হয়েছে। এর পর থেকে সন্দেহজনক বস্তুর সন্ধানে আরপিএফের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রত্যেক যাত্রীর লাগেজ কঠোরভাবে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও উল্লেখযোগ্য কিছু পাওয়া যায়নি| তবে মাস দু’য়েক আগে দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সিআরপিএফ কনভয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় ৪০ জন জওয়ান মারা যান। এরপর আবার ভারতে হামলার হুমকি দিল পাক সন্ত্রাস সংগঠনটি। প্রস্তুত আমাদের প্রশাসন|

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *