Supreme court orders cctv installation is must in police stations

জেলে CBI-NIA-ED’র জেরাতে CCTV’র সুপ্রিম সিদ্ধান্ত

ভারতবর্ষ

অভিযুক্তের সাথে সাক্ষাৎকার-সহ থানার বিভিন্ন জায়গায় সিসিটিভি (Supreme court orders CCTV) রাখতে হবে। এগুলি প্রত্যেকটি ‘নাইট ভিশন

নিজস্ব সংবাদদাতা: সময় ও প্রয়োজনের সাথে দেশের অনেক কিছু বদলে যায়। পরিবর্তিত হয় অনেক আইনের। আর সেই নির্দেশিকা প্রকাশ করেন মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট। এবার থেকে দেশের প্রত্যেকটি থানায় অবশ্যই থাকতে হবে সিসিটিভি ক্যামেরা। তিন সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, প্রবেশ-প্রস্থানের পথ, লকআপ, অভিযোগকারী ও অভিযুক্তের সাথে সাক্ষাৎকার-সহ থানার বিভিন্ন জায়গায় সিসিটিভি (Supreme court orders CCTV) রাখতে হবে। এগুলি প্রত্যেকটি ‘নাইট ভিশন’ ক্ষমতাসম্পন্ন হতে হবে। সেই সিসিটিভিতে এমন স্টোরেজ থাকতে হবে, যাতে ১৮ মাস অডিয়ো ও ভিডিয়ো নির্ভুল ভাবে সঞ্চিত করে রাখা সম্ভব হয়।

সিসিটিভির সামনেই জেরা করতে হবে সিবিআই, এনআইএ, ইডি-র মতো দেশের প্রথম শ্রেণীর তদন্তকারী সংস্থাকে। আর এই জিজ্ঞাসাবাদের গোটা প্রক্রিয়া ক্যামেরাবন্দী রাখতে হবে। এর সাথে থাকতে হবে অডিও রেকর্ডিংও।

Supreme court orders cctv installation is must in police stations
Supreme court orders CCTV installation is must in police stations

২০১৮ সালেই এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট একটা নির্দেশ দেয়। যদিও তারপর দেশে বহু জায়গায় পুলিশ স্টেশনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে। কিন্তু এবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, যে সমস্ত এজেন্সি তদন্ত করে ও তার সাপেক্ষে গ্রেফতার করার ক্ষমতার অধিকারী, তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জায়গাগুলিতে সিসিটিভি রাখতে হবে।

আসলে হেফাজতে মৃত্যু প্রসঙ্গে এক মামলার কারণে এই বক্তব্যগুলি জানায় মহামান্য আদালত। মোট ১২ পাতার এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, দেশের ১৪টির মধ্যে একাধিক রাজ্য পুলিশ স্টেশনের কোথায় CCTV আছে কিনা, তা জানাতে ব্যর্থ হচ্ছে। আর এই বিষয়টিতে নজরদারির জন্য এসএলওসি, ডিএলওসি তৈরি করতে বলা হয়েছে। যারা জেলা ও রাজ্যস্তরে কমিটি তৈরী করে গোটা বিষয়টি দেখবে।

[ আরও পড়ুন ] কৃষক বিক্ষোভ – অমিত শাহ ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী আলোচনায়

দেশের সম্মানীয় শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ছ’সপ্তাহের মধ্যে সেই নির্দেশ পালন করতে হবে। কোনো কারণবশত যদি সিসিটিভি ক্যামেরা খারাপ হয়ে যায়, তাহলে ‘স্টেশন হাউজ অফিসার’ সরাসরি সিসিটিভির দেখাশুনার দায়িত্বে থাকবেন। সিসিটিভি নেটওয়ার্কের জন্য রাজ্যগুলিকে থানায় পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ইন্টারনেট পরিষেবার বন্দোবস্ত করতে হবে দ্রুত। এবার থেকে হেফাজতে অত্যাচারের অভিযোগ নিয়ে প্রতিটি জেলায় মানবাধিকার আদালত তৈরি করতে হবে। আগামী ২৭শে জানুয়ারি শীর্ষ আদালত আবার শুনানি করবে। তবে দু’বছর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া এই বিষয়ের নির্দেশিকা পালন না করায় যথেষ্ট ক্ষুব্ধ শীর্ষ আদালত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *