Voting Rule Changed Before Loksabha Election

নিয়মের বদল তাই সচিত্র ভোটার স্লিপে আর ভোট দিতে পারবেন না – Voting Rule Changed Before Loksabha Election 2019

ভারতবর্ষ

এবার থেকে অর্থাৎ আসন্ন নির্বাচনে ভোটদানের ক্ষেত্রে ফটো ভোটার স্লিপ আর সঠিক গ্রহণযোগ্য একটি ‘পরিচয়পত্র’ হিসাবে গণ্য হবে না।

আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে নির্বাচন কমিশনের পুরানো কিছু নিয়ম বদলে যাচ্ছে| দেশ ব্যাপী এই নির্বাচনকে সঠিক ও সার্থক করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানানো হয়েছে| আসলে, এই নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সকল রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে চরম ব্যস্ততা| আর তার ফলে, নির্বাচন কমিশনের উপর বৈরিতার চাপ না বাড়াতেই কিছু নিয়মের পরিবর্তন করার কথা ভাবা হয়েছে|

এবার থেকে অর্থাৎ আসন্ন নির্বাচনে ভোটদানের ক্ষেত্রে ফটো ভোটার স্লিপ আর সঠিক গ্রহণযোগ্য একটি ‘পরিচয়পত্র’ হিসাবে গণ্য হবে না। গত ২০১৪-র লোকসভা নির্বাচনের আগে এক নির্দেশ জারি করে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিলেন, ভোটদানের সময় ‘ফটো ভোটার স্লিপ’ অন্যতম পরিচয়পত্র হিসাবে গ্রহণ করা হবে। সেক্ষেত্রে তালিকাভুক্ত অন্যান্য গ্রহণযোগ্য পরিচয়ের প্রয়োজন নেই।

কারণ, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশন মনে করছে ফটো ভোটার স্লিপে সম্পূর্ণ সুরক্ষা ব্যবস্থা নেই। একাধিক আধুনিক বিজ্ঞানকে কুকাজে লাগিয়ে সহজেই তা নকল করা যায়। আর তাই কমিশন জানাচ্ছে, বর্তমানে দেশের ৯৯ শতাংশ মানুষ সঠিক ও সুরক্ষিত সচিত্র পরিচয় পত্র পেয়ে গিয়েছেন। ফলে, সেই প্রাচীন নিয়মের ‘ফটো ভোটার স্লিপ’ আর গ্রহণযোগ্য হবে না ভোটার কেন্দ্রে। তবে এখন থেকে ফটো ভোটার স্লিপ শুধুমাত্র ভোটারদের সচেতনতা গড়ার কাজে ব্যবহার হবে।

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন, যাতে ফটো ভোটার স্লিপ যে ভোটদানের পরিচয়পত্র হিসাবে গ্রহণযোগ্য হবে না সেকথা ওই স্লিপেও ছাপাতে হবে। আর ভোটদানের গ্রহণযোগ্য পরিচয়পত্রের তালিকা থেকে ফটো ভোটার স্লিপ বাদ গেলেও বাকি পরিচয়পত্রে কোনও পরিবর্তন করেনি কমিশন। অর্থাৎ পুরানো নিয়ম মতো এবারও সচিত্র ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স -সহ মোট ১১টি পরিচয়পত্র ভোটদানের কেন্দ্রে গ্রহণযোগ্য হবে।

এদিকে সঠিক কোনো ভোটদাতা তালিকা থেকে বাদ না যাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হতে রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্বাচন আধিকারিকদের মুখোমুখি বসতে নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। দু’পক্ষই সঠিক ভাবে অনুসন্ধান করবে যে সংশ্লিষ্ট এলাকায় যোগ্য ভোটারের নাম তালিকায় উঠেছে কি না। না থাকলে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এরমধ্যেই রাজ্যে তাদের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও ভোটার তালিকায় বাদ যাওয়া কোনো নাম অন্তর্ভুক্তির শেষ সুযোগ করে দিয়েছে কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা করার শেষ তারিখ পর্যন্ত ওই ভোটার তালিকায় নাম তোলা যাবে, আর একইভাবে চলবে নাম সংযুক্তি, শুদ্ধিকরণ ও নাম বাদ দেওয়ার কাজ।

তাই নেতা-প্রার্থীদের সাথে কাজের চাপ বাড়লো ভোটকর্মীদের| সার্বজনীন,সঠিক নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে গোটা ভারত|

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *